• সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১৫ হাজার টাকা হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

ফাইল ছবি

জাতীয়

মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১৫ হাজার টাকা হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১১ জুলাই ২০১৯

আগামী অর্থবছর থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানিভাতা ১৫ হাজার টাকা করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক। আজ বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ জেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন ।

এর আগে, মন্ত্রী ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া চা বাগানে, মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণ ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ প্রকল্প" এর অংশ হিসাবে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভের স্থান পরিদর্শন করেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় পতাকা আমাদের জাতীয় ঐক্য ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। জাতীয় সঙ্গীতের সাথে জড়িয়ে আছে প্রতিটি দেশপ্রেমিক বাঙালির আবেগ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হলে শিক্ষার্থীদের মনে দেশপ্রেম জাগ্রত হয়। এজন্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলকভাবে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই তেলিয়াপাড়ার একটি বর্ণাঢ্য ইতিহাস রয়েছে। এখান থেকেই মুক্তিবাহিনী গঠন, মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা ও রাজনৈতিক সরকার গঠনের প্রস্তাব করা হয়। এখানে বহু সম্মুখ সমর অনুষ্ঠিত হয়েছে । তাই এস্থানে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ইতিহাসের অনেক অমূল্য উপাদান ও অতুলনীয় গৌরব-গাঁথা রয়েছে। এখানকার স্মৃতিসৌধটি যথাযথভাবে সংরক্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় উন্নয়ন করা হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকার গৃহীত বিভিন্ন কল্যাণমূলক সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছর থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিভাতা মাসিক ১৫ হাজার টাকা করা হবে। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী 'মুজিব বর্ষ' উদযাপনের অংশ হিসেবে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বাড়ি করে দেওয়া হবে। এসব বাড়ি নির্মাণে ঠিকাদারের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সদস্য সচিব করে একটি বাস্তবায়ন কমিটি করে দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন ভবিষ্যতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা সরাসরি তাদের অ্যাকাউন্টে চলে যাবে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এসএম আরিফুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব সালাউদ্দিন চৌধুরী, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবির মুরাদ, মাধবপু উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাশনূভা নাসতারান, জেলা ও মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন সরকারি কর্মকর্তারা, প্রকৌশলী, স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী এর আগে 'মুক্তিযুদ্ধকালে শহীদ মিত্রবাহিনীর সদস্যদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ' প্রকল্পের আওতায় ভারতীয় শহিদ মিত্রবাহিনীর সদস্যদের স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের পাশে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় সুধীসমাজ এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads