• রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬
ads
‘খোকাবাবু’র ওজন এক হাজার কেজি

ছবি: বাংলাদেশের খবর

জাতীয়

‘খোকাবাবু’র ওজন এক হাজার কেজি

  • নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৮ জুলাই ২০১৯

নাগরপুরের নঙ্গীনা বাড়ির আবুল কাশেম মিয়ার আদরযত্নে লালিত-পালিত খুব শান্ত স্বভাবের ষাঁড় ‘খোকা বাবু’। এর ওজন প্রায় এক হাজার কেজি বা ২৫ মণ হবে। ‘খোকা বাবু’কে দেখতে প্রতিদিন শত শত কৌতূহলী মানুষ ভিড় করছে কাশেম মিয়ার বাড়িতে।

কাশেম বলেন, আমি কৃষকের সন্তান। গরুর ফিট খাবার খাওয়ানো সাধ্য নেই। তাই ২ বছর আগে দুই দাঁতের ‘খোকাবাবু’কে কিনে উপজেলার প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ডা. ফায়েজুর রাজ্জাক আকন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তার পরামর্শে ‘খোকাবাবু’র খাদ্য তালিকা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সবুজ ঘাস, গাছের পাতা, খর, ভুষি, ভুট্টাভাঙা, সরিষা/সয়াবিনের খৈল, চালের কুড়া, লবণ, পরিমাণমতো পানি। নিয়মিত গোসল করানো, পরিষ্কার ঘরে রাখা, খোকাবাবুর ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা, হাঁটতে নেওয়া, রুটিন অনুযায়ী ভ্যাকসিন দেওয়া ও কৃমির ওষুধ খাওয়ানো এসব বিষয় ফায়েজুর রাজ্জাক আকন্দের পরামর্শেই আজ ‘খোকাবাবু’র ওজন এক হাজার কেজি।

ডা. মো. ফায়েজুর রাজ্জাক আকন্দ বলেন, আমাদের উপজেলা লেভেলে বড় গরুর চাহিদা মেটাতে কাশেম মিয়ার উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। তিনি দুই বছর ধরে আমাদের দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে নিরাপদ মাংস উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। গরু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার না করে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে প্রাকৃতিক সুষম খাদ্যে পালিত হয়েছে ‘খোকাবাবু’।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads