• মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

ছবি: পিআইডির

জাতীয়

পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৫ অক্টোবর ২০১৯

পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়- এলজিআরডি মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা ব্যক্তিকে উন্নত হতে সাহায্য করে। আগামী প্রজন্ম এমন একটি পরিচ্ছন্ন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবে যে দেশকে পুরো বিশ্ব সম্মান জানাবে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার মোহাম্মদপুরে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে মন্ত্রী একথা বলেন।

সবার জন্য নিরাপদ পানি ও উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত হচ্ছে । এ বছর বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস এর মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘সকলের হাত, পরিচ্ছন্ন থাক’।

এর আগে. মন্ত্রী ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে হাত ধোয়া কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। ঢাকাসহ সারাদেশ একযোগে হাত ধোয়া দিবস পালন করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, স্যানিটেশন ব্যবস্থায় বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অর্জন উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্তে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগের হার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

২০১৯ সালের জেএমপি অর্থাৎ জয়েন্ট মনিটরিং প্রোগ্রামের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে উন্নত স্যানিটেশনের হার প্রায় ৭১ ভাগ। পাশাপাশি বর্তমানে দেশে প্রায় সকল লোক কোন না কোন ধরনের ল্যাট্রিন ব্যবহার করছে। যা ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্থাৎ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

বক্তারা বলেন, শুধু ১৫ই অক্টোবর নয়, সারা বছরব্যাপী প্রচারের মাধ্যমে দেশের জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি ও স্বাস্থ্য শিক্ষা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হবে। সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা, স্বাস্থ্যসম্মত ও উন্নত জীবন গঠনের লক্ষ্যে এ সামাজিক আন্দোলন কে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন ।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য। এছাড়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. জহিরুল ইসলাম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইফুর রহমান, ইউনিসেফ বাংলাদেশে-এর প্রতিনিধি তোমো হুজমী, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুল মান্নান, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শামীম ফরহাদ ।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads