• বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬
নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত নেই

সংগৃহীত ছবি

জাতীয়

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত নেই

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৭ জানুয়ারি ২০২০

প্রায় ৯ মাস পর সারা দেশের কোথাও কোনো ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তির তথ্য পাওয়া যায়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বুধবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের কোনো হাসপাতালে কোনো ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিতে আসেননি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো রোগী ভর্তি না হলেও রাজধানীতে ২৬ জনসহ সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে ২৯ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।

গত বছর মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগ প্রবল আকার ধারণ করায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সারা দেশে মাত্রাতিরিক্ত রোগীর চাপে হিমশিম খেতে হয় স্বাস্থ্য খাতকে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাসপাতালগুলো ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীতে ভরে যায়। এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে গত বছর ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) ২০১৯ সালে ২৬৬টি ডেঙ্গুজনিত মৃত্যুর প্রতিবেদনের মধ্যে ২৬৩টি ঘটনা পর্যালোচনা করে ১৬৪ জনের মৃত্যু ডেঙ্গুজনিত বলে নিশ্চিত করে।

গত বছর সারা দেশে এক লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে ১ লাখ ১ হাজার ৩৭ জন বাড়ি ফেরেন। চলতি বছরের শুরু থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ডেঙ্গুতে সর্বমোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৫২। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১২৩ জন।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডাব্লিউএইচও) বলেছে, সাম্প্রতিক দশকে বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েছে। বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মানুষ এর ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। প্রতিবছর প্রায় ৩৯০ মিলিয়ন মানুষ এ জ্বরে আক্রান্ত হয়। সংস্থাটির মতে, ডেঙ্গুর সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে এবং সঠিক চিকিৎসা পেলে আক্রান্তদের মৃত্যুর হার এক শতাংশেরও নিচে নেমে আসে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads