• মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০, ১৭ চৈত্র ১৪২৬
ads
মহিষের সংখ্যা বাড়াতে ১৬২ কোটি টাকার প্রকল্প

প্রতীকী ছবি

জাতীয়

মহিষের সংখ্যা বাড়াতে ১৬২ কোটি টাকার প্রকল্প

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

স্থানীয় মহিষের জাত উন্নয়ন করে অধিক প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন ও বেশি দুধ উৎপাদনকারী মহিষের জাত সৃষ্টির পাশাপাশি গবাদি পশুটির সংখ্যা বাড়াতে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তিন বছরের এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ১৬২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।

মন্ত্রণালয় বলছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২০ সালের মধ্যেই মহিষের বিদ্যমান ৩টি সরকারি খামার আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ করা হবে। ২০২১ সালে ১৬০টি উন্নত জাতের মহিষ ভারত থেকে কিনে আনা হবে। মহিষের উন্নত জাত সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০২৩ সালের মধ্যে ইন্টার সি মেটিং কর্মসূচির অবকাঠামো তৈরি করা হবে এ প্রকল্পে।

এছাড়া প্রকল্প চলাকালে ভেটেরিনারি ডিনপেনসারি এবং বিভিন্ন খামার যন্ত্রপাতি ক্রয়, খামারি ও উদ্যোক্তাসহ সর্বমোট ৬ হাজার জনের প্রশিক্ষণ এবং ৪টি কর্মশালার কাজ সম্পন্ন হবে। এতে ২০২৩ সালের মধ্যে খামারি পর্যায়ে কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট সংকর জাতের উন্নত মহিষ পাওয়া যাবে এবং দেশীয় বাজারে ভোক্তাদের মধ্যে হূষ্টপুষ্টকরণ মহিষ, মহিষের দুধ এবং মহিষের দুগ্ধজাত খাদ্যপণ্যের চাহিদা পূরণ হবে।

প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পটি দেশের ৮টি বিভাগের উপকূলবর্তী মহিষঘন এলাকাসহ ২০০টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ফলে সেই সব এলাকার কৃষকরা মহিষ পালনে উপকৃত হবেন। তারা আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হবেন, কৃত্রিম প্রজননের জন্য মানসম্পন্ন উপকরণ, বীজ বা সিমেনের প্রাপ্যতা বাড়বে, অধিক দুধ ও মাংস উৎপাদনের মাধ্যমে উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জিত হবে।

তিনি বলেন, ওই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ হবে। এর ফলে বেসরকারি শিল্পোদ্যোক্তরাও প্রাণিসম্পদ সাবসেক্টরে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত হবে এবং দেশে কৃষিনির্ভর শিল্পের বিকাশ লাভের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হবে।

গবেষকরা জানান, মহিষের দুধের উৎপাদন এবং এর গুণগত মান অনেক ভালো। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও জলবায়ু মহিষ উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। দুধ উৎপাদনে মহিষের অবদান পার্শ্ববর্তী ভারতে ৫৩ শতাংশ। এছাড়াও পাকিস্তানে ৬৭ শতাংশ, নেপালে ৭১ শতাংশ দুধ মহিষ থেকে আসে। যেখানে বাংলাদেশে এ হার মাত্র ৪ শতাংশ।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads