• সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

জাতীয়

জিডিপিতে ভর করে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২২ অক্টোবর ২০২০

করোনাকালে ৮ শতাংশেরও বেশি দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি  আশা করছে বাংলাদেশ। তবে  বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, পৃথিবীর অন্য কোনো দেশই ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি আশা  করছে না।

আইএমএফের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরে মাত্র ২২টি দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক হবে। ওই ২২টি দেশের একটি বাংলাদেশ।

মাথাপিছু জিডিপি হলো দেশগুলোর সমৃদ্ধি নির্ধারণের একটি বিশ্বব্যাপী পরিমাপ এবং একটি দেশের সমৃদ্ধি বিশ্লেষণে অর্থনীতিবিদরা জিডিপির পাশাপাশি মাথাপিছু আয়ের প্রবৃদ্ধি ব্যবহার করেন। কোনো দেশের জিডিপি দেশটির মোট জনসংখ্যার হিসাব দিয়ে ভাগ করে এটি গণনা করা হয়।

বাংলাদেশ এবং ভারত উভয়ের চলতি মূল্যে জিডিপির হিসাব করা হয়েছে। আইএমএফের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক (ডব্লিউইওর) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শ্রীলঙ্কার পরে দক্ষিণ এশিয়ায় করোনা মহামারীর কারণে ভারত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে পাকিস্তান এবং নেপালের মাথাপিছু জিডিপির তুলনায় এগিয়ে থাকবে ভারত। তবে বাংলাদেশ ছাড়াও ভুটান, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপ ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকবে।

আইএমএফ আগামী বছরে ভারতের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের আভাস দিয়েছে। এতে ২০২১ সালে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারত সামান্য ব্যবধানে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে যাবে। ডলারের হিসাবে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি ২০২১ সালে ৮ দশমিক ২ শতাংশ হবে। বিপরীতে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি হবে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ। এতে ভারতে মাথাপিছু জিডিপি দাঁড়াবে ২ হাজার ৩০ ডলার। বাংলাদেশের হবে ১ হাজার ৯৯৯ ডলার।

এদিকে আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করা বিশ্বের শীর্ষ তিন দেশের একটি হবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে থাকবে শুধু গায়ানা ও দক্ষিণ সুদান।

পিআরআই নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, চলতি বছরে পৃথিবীর কোনো দেশই ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারবে না। কিন্তু অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের সরকার ঠিকই দেখাবে ৮ শতাংশেরও বেশি প্রবৃদ্ধি। এর আগে টানা তিন মাস লকডাউনের কারণে সবকিছু বন্ধ থাকার পরও গত অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। বিগত কয়েক বছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধির সমালোচনা করে তিনি বলেন, যেভাবে তেজিভাব নিয়ে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে, সে তুলনায় কর্মসংস্থান বাড়ছে না।

বাংলাদেশের এগিয়ে চলা শুরু হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে থেকেই। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে নিম্নআয়ের দেশ থেকে বাংলাদেশ নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে ২০১৫ সালেই।

জাতিসংঘের হিসাবে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের সিঁড়িতে পা দেবে ২০২৪ সালে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বলছে, ২০২০ সালে পঞ্জিকাবর্ষে মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ভারতকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আইএমএফ বলছে, ২০২০ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি হবে এক হাজার ৮৮৮ ডলার, একই সময়ে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি হবে এক হাজার ৮৭৭ ডলার। আইএমএফের বরাত দিয়ে মাথাপিছু জিডিপির বিষয়ে অনেকেই বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসাও করছেন।

তবে ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসান এইচ মনসুর বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে বিশ্বব্যাংক যে পূর্বাভাস দিয়েছে, বাংলাদেশ সে পথেই যাবে। তার মতে, এখন কোনও প্রবৃদ্ধিই হবে না, প্রবৃদ্ধি শুরু হবে মূলত আগামী বছরের মার্চের পর থেকে। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের চিত্র বলছে, আমরা এখনো নেগেটিভ জায়গায় আছি। গত ছয় মাসে কারও বেতন বাড়েনি। মানুষের আয় বাড়েনি। রপ্তানি খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, তারা নতুন অর্ডার  পাচ্ছেন না। আগের অর্ডারের পণ্য রপ্তানি হচ্ছে এখন। নতুন কোনও দেশে শ্রমিক যাচ্ছেন না। নতুন করে কোনও শ্রমিক ভিসা পাচ্ছেন না।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রভাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি ১ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংক মনে করে, আগামী  অর্থবছর (২০২১-২২) তা বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে উন্নীত হতে পারে। গত ৮ অক্টোবর এই পূর্বাভাস দেয় বিশ্বব্যাংক। আহসান এইচ মনসুর জানান, গত সাত-আট বছরে জিডিপিতে রেমিট্যান্সের অংশ ৮ শতাংশ থেকে কমতে কমতে ৫ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছে। একইভাবে জিডিপিতে রপ্তানির রেশিও ২০ শতাংশ থেকে কমে ১৩ শতাংশে নেমে এসেছে। এমন অবস্থায় প্রবৃদ্ধি যত বাড়িয়ে দেখানোই হোক না কেন, ভেতরের অবস্থা ভালো নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার দৃষ্টিতে  বর্তমানে  মানুষের পকেটে টাকা নেই। দেশের মানুষের আয় বাড়ছে না, অথচ জিনিসপত্রের দাম বেশি হওয়ায় ব্যয় ঠিকই বেড়ে গেছে।

এ অবস্থায়  আইএমএফের পূর্বাভাসে উচ্ছ্বসিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে মনে করেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

 তিনি বলেন, করোনাকালে যেখানে অনেক দেশের নেগেটিভ প্রবৃদ্ধি, সেখানে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এটা যেমন বড় দিক, তেমনই এই সময়ে মানুষের আয় বাড়ছে না অথচ জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে। অনেকে কাজ হারিয়েছেন। অনেকে এখনো কাজ পাচ্ছেন না। দারিদ্র্যের হার বেড়েছে। বৈষম্য বেড়েছে। এগুলো ভাববার বিষয়। ফলে মাথাপিছু আয়ে বাংলাদেশ ভারতকে পেছনে ফেললেও আমাদের আত্মতৃপ্তির কিছু নেই। কারণ, ভারতকে পেছনে ফেললেও শ্রীলঙ্কার থেকে বাংলাদেশ অনেক পেছনে রয়েছে। একইভাবে মালদ্বীপ ও ভুটান থেকেও আমরা পিছিয়ে রয়েছি। অনেকেই ভারতের কথা বলছেন, কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার আরও তিন দেশ শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও ভুটানের কথা কেউ বলছেন না। অথচ এই তিনটি দেশ আমাদের চেয়ে ওপরে রয়েছে। তিনি মনে করেন, ভারতকে পেছনে ফেলার কথা না ভেবে বরং নিজেদের দক্ষতা যোগ্যতা বাড়ানো যায় কীভাবে, সেটা দেখা দরকার।

এদিকে বাংলাদেশের কর-জিডিপি হার গোটা বিশ্বের মধ্যে নিম্নতম পর্যায়েই রয়েছে। কর-জিডিপি’র হার নেপাল, এমনকি যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান বা পাকিস্তানের চেয়েও বাজে অবস্থায় রয়েছে। অথচ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) হার ঠিকই  বাড়ছে।  বিষয়টি নিয়ে আহসান এইচ মনসুরের মন্তব্য হলো— এক কথায় মানুষের পকেটে টাকা নেই। যে কারণে সরকারের আয় কমে গেছে। কিন্তু তারপরও সরকার প্রবৃদ্ধি বাস্তবের চেয়ে বেশি দেখানোর চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধি বাস্তবের চেয়ে বেশি দেখালে জিডিপিতে ট্যাক্সের অংশ কমে যায়। হচ্ছেও তাই। জিডিপির হার বাস্তবের চেয়ে বেশি দেখালে জিডিপিতে রপ্তানির অংশ কমে যায়। আমদানির অংশ কমে যায়। বাস্তবে সেটিই হচ্ছে।

সরকারের গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, করোনায় মানুষের আয় কমেছে ২০ শতাংশ। বিবিএস বলছে, করোনার আগে গত মার্চ মাসে প্রতি পরিবারের মাসিক গড় আয় ছিল ১৯ হাজার ৪২৫ টাকা। আগস্টে কমে দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৪৯২ টাকায়। অর্থাৎ পাঁচ মাসের ব্যবধানে পরিবারপ্রতি আয় কমেছে প্রায় চার হাজার টাকা।

অন্যদিকে বেসরকারি দুটি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, করোনার প্রভাবে দেশের ৭০ শতাংশ দরিদ্র মানুষের আয় কমে গেছে।  সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) জরিপে দেখা গেছে, করোনাকালে দেশে নতুন করে এক কোটি ৬৩ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআরের তথ্য বলছে, আয় কমে যাওয়ার কারণে দেশের মানুষ গত বছরের মতো এবার সরকারকে কর দিচ্ছে না। একইভাবে ব্যবসা করে গত বছরের মতো তারা সরকারকে ভ্যাটও দিচ্ছে না। এনবিআরের তথ্য মতে, গত বছরের জুলাই ও আগস্ট এই দুই মাসে আয়কর ও ভ্রমণ কর থেকে সরকারের আয় হয়েছিল ৮ হাজার ৯০৭ কোটি টাকা। এই বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে সরকার এই খাত থেকে তার চেয়ে ১০৫ কোটি টাকা কম রাজস্ব আহরণ করেছে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সরকার আয়কর ও ভ্রমণ কর থেকে রাজস্ব আহরণ করেছে ৮ হাজার ৮০২ কোটি টাকা।

এনবিআরের তথ্যে জানা যায়, গত অর্থবছরের প্রথম দুই মাসের তুলনায় এই বছরের প্রথম দুই মাসে স্থানীয় পর্যায়ে মূসক বা ভ্যাট থেকেও আদায় কমেছে ২৮০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এনবিআরের হিসাবে, এই অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ভ্যাট থেকে আদায় হয়েছে ১১ হাজার ৩৫১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। আর গত বছরের একই সময়ে ভ্যাট থেকে আদায় হয়েছিল ১১ হাজার ৬৩২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

মূলত, গত মার্চ থেকে বাংলাদেশে করোনার প্রকোপ শুরু হয়। এরপর এপ্রিল ও মে মাসে বাস, ট্রাক, ট্রেন, ব্যক্তিগত গাড়িসহ সব ধরনের যান চলাচল প্রায় বন্ধ ছিল। একইভাবে ট্রলার-লঞ্চ চলাচলও বন্ধ ছিল। বিমানও চলেনি। মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে খুব একটা বের হননি।  অথচ এই খাতের জিডিপি বেড়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বলছে, গত অর্থবছরের (২০১৯-২০) মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) বাস, ট্রাক, ট্রেন— এসবের মূল্য সংযোজন আগের বছরের চেয়ে ৪ হাজার ৭৯১ কোটি টাকা বেড়েছে। নৌযান চলাচলে বেড়েছে ২৪৬ কোটি টাকা। আর বিমান চলাচলে বেড়েছে ৫১ কোটি টাকা। একইভাবে ২৬ মার্চ থেকে পর্যটন এলাকায় হোটেল-মোটেল বন্ধ থাকার পরও বিবিএসের হিসাবে, বছর শেষে হোটেল-রেস্তোরাঁর অবদান জিডিপিতে বেড়েছে ৫০৯ কোটি টাকা। করোনার কারণে যদিও ওই তিন মাস নির্মাণ খাত বন্ধ ছিল। তবে বিবিএস বলছে, বিদায়ী অর্থবছরে জিডিপিতে নির্মাণ খাতের মূল্য সংযোজন বেড়েছে ৭ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা। জিডিপিতে নির্মাণ খাতের অবদান প্রায় ৮ শতাংশ। গত অর্থবছরে নির্মাণ খাতের অবদান ছিল ৮৮ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা। আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনাকালে ফ্ল্যাট বিক্রি তেমন একটা হয়নি। কিন্তু বিবিএস বলছে, আবাসন খাতের অবদান বেড়েছে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বলেছে, বিদায়ী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ।

কৃষি, শিল্প ও সেবা— এই তিনটি খাত নিয়ে জিডিপি গণনা করা হয়। করোনার কারণে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে শিল্প খাতে। এই খাতের প্রবৃদ্ধি অর্ধেকে নেমে গেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১২ দশমিক ৬৮ শতাংশ। গত অর্থবছরে তা কমে ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ হয়েছে।  আগের  বছর যেখানে শিল্প উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি ছিল ১৪ শতাংশের বেশি। গত অর্থবছরে তা নেমে  ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। গত অর্থবছরে কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ থেকে কমে ৩ দশমিক ১১ শতাংশে নেমেছে। জিডিপিতে অর্ধেক অবদান সেবা খাতের, প্রায় ৫১ শতাংশ। এ খাতের প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ থেকে কমে ৫ দশমিক ৩২ শতাংশ হয়েছে।

গত চার বছর ধরেই জিডিপির অনুপাতে ২৩ শতাংশের ঘরেই বেসরকারি বিনিয়োগ আটকে আছে। বিবিএসের হিসাবে, জিডিপির অনুপাতে সার্বিক বিনিয়োগ এখন ৩১ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের জুন মাস পর্যন্ত চলতি মূল্যে ৮ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা বেসরকারি বিনিয়োগ। বাকি সরকারি বিনিয়োগ  ২ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads