• বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড়ধস

পুরাতন বাস স্টেশন, শিমুলতলী, সাপছড়ি, মানিকছড়ি, দেপ্পোছড়ি, ভেদভেদীসহ একাধিক স্থানে পাহাড় ধস হয়েছে

সংরক্ষিত ছবি

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড়ধস

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১১ জুন ২০১৮

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম, রাঙামাটিসহ পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। রাঙামাটিতে একাধিক স্থানে পাহাড় ধস হলেও প্রাণহানির ও ক্ষয়ক্ষতির কোন খবর পাওয়া যায়নি। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে তৎপর রয়েছে প্রশাসন। এর সাথে দুর্ভোগ হিসেবে বাড়তি যোগ হয়েছে জলাবদ্ধতা। অতিবৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে নগরীর নিম্নাঞ্চল।

রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজার উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয় সংলগ্ন, পুরাতন বাস স্টেশন, শিমুলতলী, সাপছড়ি, মানিকছড়ি, দেপ্পোছড়ি, ভেদভেদীসহ একাধিক স্থানে পাহাড় ধস হয়েছে। তবে তেমন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে মাইকিং করা হলেও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছাড়েনি বেশিরভাগ বাসিন্দা।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে অতিবৃষ্টির কারণে এরইমধ্যে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের একাধিক স্থানে সড়কের ওপর পাহাড় ধসে ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতি রোধে মাঠে তৎপর রয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা ।

এদিকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত ২৪২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে চট্টগ্রামে জানিয়েছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। আর নিম্নচাপের প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ফুট বেড়েছে জোয়ারের উচ্চতা। টানা বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে হালিশহর, আগ্রাবাদ সিডিএ, মুরাদপুর, চকবাজার। বেড়েছে নগরবাসীর দুর্ভোগ।

ভারি বৃষ্টিতে ধস রোধে নগরীর বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পাহাড়ের পাশ থেকে সরে যেতে মাইকিং করেছে জেলা প্রশাসন। এদিকে আবহাওয়া অফিস সমুদ্রবন্দরগুলোতে তিন নাম্বার সর্তক সংকেত বহাল রেখেছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads