• শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
রোহিঙ্গা শিবিরে পাহাড়ধসে পাঁচ শতাধিক আহত

রোহিঙ্গা শিবিরে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে

সংগৃহীত ছবি

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

রোহিঙ্গা শিবিরে পাহাড়ধসে পাঁচ শতাধিক আহত

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১১ জুন ২০১৮

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবে টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে রোহিঙ্গা শিবিরে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচ শতাধিক রোহিঙ্গা আহত এবং ছয়শ ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে । 

টেকনাফের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি ব্লক, জি -সেভেন ব্লক, বালুখালী ক্যাম্প, টেংখালি ব্লকে এ পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। কক্সবাজারের টেকনাফের এসব ব্লকগুলোতে বসবাস করছেন সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী।

স্থানীয়রা জানান, রোহিঙ্গারা বাড়ি-ঘর নির্মানের জন্য পাহাড় কেটে অনেক নাজুক করে রেখেছে। যার ফলে এসব পাহাড়ে আরো পাহাড়ধস হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

কুতুপালং ক্যাম্পে থাকা একজন রোহিঙ্গা শরণার্থীর সাথে কথা বলে জানা যায়, পাহাড়ের নিচে বসবাসকারী রোহিঙ্গারা আহত হয়েছে। এর সাথে দুর্ভোগ হিসেবে বাড়তি যোগ হয়েছে জলাবদ্ধতা। পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির কারণে এই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বিপদে পড়েছে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা। ভুমিধস এবং বন্যার দুই দুর্যোগের কবলেই পড়েছে রোহিঙ্গারা।

টেকনাফের স্থানীয় সাংবাদিক ওবায়দুল হক চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপদ স্থানের ব্যবস্থা না থাকায় ভূমিধসে বেশী আহত হয়েছে।

এদিকে রোহিঙ্গা শরানার্থীদের জন্য যে ক্যাম্পগুলো তৈরি করা হয়েছে সেগুলো অস্থায়ী ত্রিপলের ছাউনি এবং বেড়া দিয়ে নির্মিত। রেড ক্রিসেন্ট বলছে, দুই লক্ষের মত মানুষ ভূমি ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে।

রোহিঙ্গাদের জন্য নোয়াখালীর ভাসানচরে অস্থায়ি আবাসস্থল তৈরির কথা জানিয়েছিলো বাংলাদেশ সরকার। সেই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এখনও শেষ হয়নি। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সুনির্দিষ্ট মডেলে ঘরবাড়ি এবং সাইক্লোন শেল্টার নির্মান শুরু হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে নোয়াখালিতে এক লাখ রোহিঙ্গা ভাসানচরে নেয়ার কথা জানানো হলেও ঠিক কবে নাগাদ সেটি শুরু হবে সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads