• বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
পানি সম্পদ সচিবের ভাঙন এলাকা পরিদর্শন

পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন

ছবি : বাংলাদেশের খবর

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

ভূঞাপুর-তারাকান্দী সড়ক ভেঙে ৩ উপজেলার নতুন এলাকা প্লাবিত

পানি সম্পদ সচিবের ভাঙন এলাকা পরিদর্শন

  • টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৯ জুলাই ২০১৯

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :

যমুনায় অস্বভাবিক পানি বৃদ্ধির ফলে বৃহস্পতিবার রাতে ভূঞাপুর-তারাকান্দী আঞ্চলিক সড়কের টেপিবাড়ী (মলাদহ) নামক স্থানে ভেঙে ভূঞাপুরসহ পাশ্ববর্তী গোপালপুর ও ঘাটাইল উপজেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। যে কারনে যোগাযোগ বিছিন্ন রয়েছে যমুনা সার কারখানার সাথে উত্তরাঞ্চলের। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপুর্ণ এই সড়ক রক্ষায় কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় গ্রামবাসী চেষ্টা করেও রাস্তাটি শেষ রক্ষা করতে পারেনি। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, এক যোগে কাজ করছে।

আজ শুক্রবার সকালে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ভাঙন এলাকা পরিদর্শণ করেছেন। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, ভূঞাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম এডভোকেট, গোপলপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ।

এ সময় পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব সাংবাদিকদের জানান, ভূঞাপুর তারাকান্দী রাস্তা যমুনা সার কারখানার জন্য গুরুতপূর্ন বিধায় জরুরী ভিত্তিতে ভাঙন অংশে জিওব্যাগ ফেলে গাড়ি চলাচলের উপযোগী করা হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব জানান, যমুনার পশ্চিমাংশে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রায় শেষের দিকে, পূর্বাংশে প্রাথমিক ভাবে কাজ চলছে, জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ থেকে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ পর্যন্ত ভাঙন রোধে সার্ভে করে স্থায়ী ভাবে বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। বন্যায় জলাবদ্ধদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হবে।

যমুনায় পানি বৃদ্ধি ও সড়ক ভেঙে ভূঞাপুর উপজেলাসহ গোপালপুর, ঘাটাইলের কয়েক’শ গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। নষ্ট হয়েছে লাউ, কুমড়া, ঢেরশ ও অন্যান্য শাকসবজির বাগান। বন্যায় ভেসে গেছে পাটের জাগ, গবাদি পশুর খাদ্য, খড়ের পালা, পুকুরের মাছ। বন্যাকবলিত মানুষ গবাদিপশু নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেক পরিবার ঠাঁই নিয়েছে উঁচু জায়গায় সড়ক গুলোতে। উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা জানান, বন্যার কারনে বন্ধ হয়ে গেছে ১৫টি উচ্চ বিদ্যালয়, ৬ টি মাদরাসা, ৪৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, ভূঞাপুরে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ১১১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার পরিস্থিতি শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন অংশে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads