• রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
ঘুুর্ণিঝড় বুলবুল: ভোলায় খোলা হয়েছে ৮ কন্ট্রোল রুম

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

ঘুুর্ণিঝড় বুলবুল: ভোলায় খোলা হয়েছে ৮ কন্ট্রোল রুম

  • ভোলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৮ নভেম্বর ২০১৯

ঘুর্ণিঝড় 'বুলবুলের' প্রভাবে ভোলায় সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। জেলায় চার নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় ভারী বর্ষণও হয়েছে। পুরো জেলা মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। নদী এবং সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। অনেক জেলে তীরে চলে এসছেন। ঘুর্ণিঝড় মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ঝড় মোকাবেলায় জেলার ৬৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গঠন করা হয়েছ ৯২ টি মেডিকেল টিম। এছাড়াও জেলা সদরসহ সাত উপজেলায় ৮টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি। মানুষকে সতর্ক করতে উপকূলে চলছে রেড ক্রিসেন্ট ও সিপিপির প্রচারণা।

এদিকে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ঘুর্নিঝড় প্রস্তুতি বিষয়ক এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, ঘুর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে জেলা পর্যায়ে একটিসহ ও সাত উপজেলায় সাতটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এর থেকে সকল মানুষ সার্বক্ষনিক ঘুর্ণিঝর বিষয়ক সেবা নিতে পারবে। জেলার ৬৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সিপিপি, রেড ক্রিসেন্ট ও স্কাউটসসহ মোট ১৩ হাজার সেচ্চাসেবী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগকালিন সময়ে চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য ৯২টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কাছে শুকনো খাবার, প্রয়োজনীয় চাল, টিন ও নগদ টাকাসহ পর্যাপ্ত ত্রান সামগ্রী রয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের মাধ্যমে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

ভোলা সিপিপির উপ-পরিচালক মো. সাহাবুদ্দিন জানান, ঝড়ের বিষয়ে মানুষকে জানাতে সিপিপি ও রেডক্রিসেন্ট কর্মীরা প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। সিপিপির ১০ হাজার ২০০ সেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, ভোলায় এখনো ৪ নাম্বার সতর্কতা সংকেত চলছে। ঝড়টি কোনো দিকে আঘাত হানবে এখনো তা এ মুহুর্তে ঠিক বলা যাচ্ছে না।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads