• রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
বাগেরহাটে বুলবুলের প্রভাবে বৃষ্টি, প্রস্তুত ২৩৪ ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র

সংগৃহীত ছবি

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

বাগেরহাটে বুলবুলের প্রভাবে বৃষ্টি, প্রস্তুত ২৩৪ ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র

  • বাগেরহাট প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৮ নভেম্বর ২০১৯

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে বাগেরহাটসহ উপকূলীয় জেলাগুলোতে সকাল থেকে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৈরি আবহাওয়ায় কারণে রাস্তায় মানুষের চলাচল ছিল কম। এদিকে
ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবেলায় বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলার ৯টি উপজেলায় ২৩৪টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। বাগেরহাট সদর উপজেলায় ৭টি, কচুয়ায় ৮টি, ফকিরহাটে ৫টি, মোল্লাহাটে ১০টি, চিতলমারী ২০টি, রামপালে ২৬টি, মোংলায় ৩৪টি, মোরেলগঞ্জে ৪২টি ও শরণখোলায় ৮২টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কামরুল ইসলাম জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবেলায় জেলার সকল সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সুন্দরবনে দুবলারচরে শুঁটকি পল্লীতে অবস্থারত ১৫ হাজার জেলেকে ফিরিয়ে আনতে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসন কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে মাইকিং করা হচ্ছে।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, ঘূর্ণিঝড়ের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সুন্দরবনের দেশী-বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সুন্দরবন বিভাগের কর্মকর্তা ও বনরক্ষীদের ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে প্রথমে নিজেদের জীবন বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দীন জানান, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রবল ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় সর্বত্বক প্রস্তুতি গ্রহন করেছে। বন্দর জেটি ও আউটার এ্যাংকরেজে অবস্থানরত ১৩টি জাহাজ নিরাপদে রয়েছে। ##

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads