• শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ঘূর্ণিঝড় বুলবুল: আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছে উপকূলবাসী

ছবি: বাংলাদেশের খবর

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল: আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছে উপকূলবাসী

  • বাগেরহাট প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৯ নভেম্বর ২০১৯

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে মোংলা সমুদ্র বন্দরে ১০নং মহাবিপদ সংকেত জারির পরও বাগেরহাটের উপকূলীয় উপজেলাগুলোর সাধারণ মানুষ শনিবার দুপুর পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে আগ্রহ দেখায়নি। তবে শনিবার বিকাল থেকে আশ্রয় যেন্দ্রে যাওয়া শুরু করেছে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে গতকাল শুক্রবার থেকে সতর্কতা জারি করে মাইকিং করা হয়েছে।

রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তুসার কান্তি পাল জানান, শনিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত সাড়ে ১২ হাজার লোক আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছে। সন্ধ্যার পর এই সংখ্যা বাড়বে বলে তিনি জানান।

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন সাউথখালী একটি আশ্রয় কেন্দ্র থেকে জানান, শরণখোলার চারটি ইউনিয়নে এই পর্যন্ত ৩০ হাজার লোক আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছে। সন্ধ্যার পর এই সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে।

মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহাত মান্নান জানান, মোংলা উপজেলাবাসীদের আশ্রয়কেন্দ্রে আনতে ২ হাজার ৬০০ স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছে। ইতোমধ্যে ১০ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছে। এই সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান জানান, মোরেলগঞ্জের মানুষের মধ্যে এখন সচেতনতা দেখা যাচ্ছে। এই পর্যন্ত ২৬ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছে। এই সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে।

চিতলমারী উপেজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মারুফুল আলম জানান, লোকজনদের আশ্রয়কেন্দ্রে আনা যাচ্ছে না। এই পর্যন্ত দেড় শতাধিক মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছে।

এদিকে ১০নং মহাবিপদ সংকেত জারির পর জেলা সদরসহ উপকূলে নতুন করে মাইকিং করা হয়েছে। বিকালে জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরী সভা হয়েছে জেলা প্রশসকের সম্মেলন কক্ষে।

মোংলা বন্দরে অবস্থান করা দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে পশুর চ্যানেলে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে। এছাড়া বন্ধ রাখা হয়েছে মোংলা বন্দরে জাহাজ আগমন ও নির্গমনও। বন্দরের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফকর উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads