• শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
ঘূর্ণিঝড় বুলবুল: ভোলায় ঝূঁকিপূর্ণ ৪০ চরের বাসিন্দারা নিরাপদে

ছবি: বাংলাদেশের খবর

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল: ভোলায় ঝূঁকিপূর্ণ ৪০ চরের বাসিন্দারা নিরাপদে

  • ভোলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৯ নভেম্বর ২০১৯

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাবে  উত্তাল হয়ে উঠেছে ভোলার সংলগ্ন মেঘনা তেতুলিয়া। বুলবুলের প্রভাবে শুক্রবার থেকেই শুরু হয়েছে ঝড়ো বাতাস। শনিবার বিকাল থেকেই বাতাসের গতিবেগ বাড়ছে এবং কখনো থেমে থেমে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস বইছে। এতে উপকূলের বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

ভোলার জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানিয়েছেন  শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলার তিন  লাখ ২৩ হাজার ৬৩৭ জনকে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হয়েছে। জেলার জনবসতিপূর্ণ ৪০ টি চরের বাসিন্দাদের ও আশ্রয় কেন্দ্রে আনার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। 

তিনি জানান, আমরা জেলার সাত উপজেলার দুর্গম চরের আড়াই লাখ মানুষকে ঝূঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করেছি, তাদের সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনা সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও নদীর উপকূলবর্তী এলাকার লোকজনকেও আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হয়েছে।

জেলার ৬৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র ও ৩৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদে আশ্রয় নেয়া মানুষদের মধ্যে সদর উপজেলায় রয়েছে ৪৬ হাজার ২৬০, দৌলতখান উপজেলায় ৩৫ হাজার ৪২০, বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ৩৩ হাজার ৩২০, লালমোহন উপজেলায় ৪৮ হাজার ৩৯০, তজুমদ্দিন উপজেলায় ৫৪ হাজার ২১৫, চরফ্যাশনে ৬৫ হাজার ৩১০ এবং মনপুরা উপজেলায় ৪০ হাজার ৭৩২ জন রয়েছে।

সদরের ইলিশা মৌলভীরহাট আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করা কবিতা, মাজেদ ও শান্তনাসহ অনেকেই জানান, সতর্ককতা সংকেত পাওয়ার পর আমরা পরিবারের সবাইকে নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে এসেছি, দুপুরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের শুকনো খাবার দেয়া হয়েছে।

জেলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি) উপ-পরিচালক সাহাবুদ্দিন মিয়া বলেন, সিপিবি’র ৬৮০টি ইউনিটে ৩টি করে সংকেত পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। প্রত্যেকটি ইউনিট’র আওতায় ২ থেকে ৩ হাজার মানুষের বসবাস। উপকূল জুড়ে সাধারণ জনগণকে আশ্রয় কেন্দ্রে আসার জন্য হ্যান্ড সাইরেন ও মেগা ফোনের মাধ্যমে আহবান জানানো হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদের মাইকেও প্রচার চালানো হচ্ছে নিরাপদে থাকার জন্য। গত রাত থেকেই মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছে বলে জানান তিনি। এদিকে উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে আশ্রয়কেন্দ্রে আসা মানুষদের কোথাও শুকনো খাবার কোথাও খিচুড়ি দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads