• শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
নীরদচন্দ্র চৌধুরী

পণ্ডিত ও লেখক নীরদচন্দ্র চৌধুরী

সংরক্ষিত ছবি

মতামত

ব্যক্তিত্ব

নীরদচন্দ্র চৌধুরী

  • প্রকাশিত ০১ আগস্ট ২০১৮

পণ্ডিত ও লেখক নীরদচন্দ্র চৌধুরীর জন্ম ২৩ নভেম্বর ১৮৯৭ সালে বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলায়। ‘নীরদ সি চৌধুরী’ নামে সমধিক পরিচিত নীরদচন্দ্র তার ক্ষুরধার লেখনীর জন্য বিশেষত বিদেশে নন্দিত ছিলেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা সমাপনের পর তিনি সরকারি চাকুরে হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে বেতার ঘোষক এবং রাজনৈতিক ভাষ্যকার হিসেবে আকাশবাণীতে কাজ করার জন্য ১৯৪২ সালে দিল্লি যান। ১৯৫১ সালে তিনি তার প্রথম গ্রন্থ দি অটোবায়োগ্রাফি অব অ্যান আননোন ইন্ডিয়ান প্রকাশ করেন, যা তাকে সর্বাধিক খ্যাতি এনে দেয়। ভারতে তার এই অটোবায়োগ্রাফি ব্যাপকভাবে সমালোচিত হলেও এর কারণেই ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশন (বিবিসি) নীরদচন্দ্রকে ১৯৫৫ সালে ইংল্যান্ড সফরের আমন্ত্রণ জানায়। তার এই সফরকে ভিত্তি করেই তিনি রচনা করেন এ প্যাসেজ টু ইংল্যান্ড গ্রন্থটি। এতে তিনি ব্রিটিশ জীবনযাপন পদ্ধতি এবং পশ্চিমা সংস্কৃতি ও সভ্যতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। ১৯৭০ সাল থেকে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে তিনি স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

নীরদ চৌধুরীর লেখা ছিল চমৎকার বর্ণনাধর্মী, পরিমিত ও যথাযথ। তিনি দি অটোবায়োগ্রাফি অব অ্যান আননোন ইন্ডিয়ান বইটিতে মূলত তৎকালীন ভারতবর্ষের প্রথা, পারিবারিক কাঠামো, বর্ণপ্রথা, হিন্দু-মুসলিম এবং ভারতীয় ও ব্রিটিশদের মধ্যকার সম্পর্কের একটি জীবন্ত ও অন্তর্বিশ্লেষণমূলক বর্ণনা দিয়েছেন। নীরদ চৌধুরী ১৯৬৮ সালে বাঙ্গালী জীবনে রমণী  শিরোনামে তার প্রথম বাংলা বই প্রকাশ করেন। ‘ডাফ কুপার মেমোরিয়াল পুরস্কার’, ‘আনন্দ পুরস্কার’, ‘বিদ্যাসাগর পুরস্কার’সহ নীরদচন্দ্র চৌধুরী অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ১৯৮৯ সালে সম্মানসূচক ডিলিট উপাধিতে ভূষিত করে। এই বাঙালি লেখক ১ আগস্ট ১৯৯৯ সালে ইহধাম ত্যাগ করেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads