• শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
নতুনে পুরাতনে হোক অগ্রযাত্রার মেলবন্ধন

সংসদ

ছবি : সংরক্ষিত

মতামত

নতুনে পুরাতনে হোক অগ্রযাত্রার মেলবন্ধন

  • আফরোজা পারভীন
  • প্রকাশিত ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে শেখ হাসিনা সরকার। স্বাগত জানাই নতুন সরকারকে। এবারের মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন অনেক বড় বড় রাজনীতিক, যারা বরাবর মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে কিছু আলাপ-আলোচনা আছে। তবে যতটা প্রতিক্রিয়া হবে ভেবেছিলাম, সেটা হয়নি। এটা গণতন্ত্রের জন্য শুভ লক্ষণ।

অর্থমন্ত্রী আবুল আল আবদুল মুহিত বয়ঃবৃদ্ধ মানুষ। কিন্তু শিশুর মতো সরল। অকপটে বলে ফেলেন সহজ সত্য কথাগুলো। তার সে বক্তব্য অনেক সময় সরকারের বিপক্ষেও চলে গেছে। কিন্তু তিনি এমনই এক মানুষ যে, সে বক্তব্য নিয়ে সরকারের তরফ থেকে কখনোই তেমন কোনো উষ্মা দেখা যায়নি। ব্যক্তিজীবনে সদাচারী, সৎ, সংস্কৃতিমনা, বিদ্বান একজন মানুষ তিনি। তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক কোনো আলোচনা ছিল না। তিনি এবারের মন্ত্রিসভায় নেই। বয়সজনিত কারণে হলেও হতে পারে।

মন্ত্রিসভায় নেই তোফায়েল আহমেদ। নেই আমির হোসেন আমু, মোহাম্মদ নাসিমের মতো হেভিওয়েট রাজনীতিবিদরা। স্বাস্থ্য খাতে অনেক অব্যবস্থা আর সমস্যার কথা সারাটা বছর ধরেই শোনা গেছে। মন্ত্রিত্ব না থাকা তার জের কি-না জানা নেই। মতিয়া চৌধুরীও নেই মন্ত্রিসভায়। ব্যক্তিজীবনে অত্যন্ত সৎ এককালের অগ্নিকন্যা এই মন্ত্রী পুরো বছর ধরেই নানা বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচিত হয়েছেন। বিশেষ করে কোটা আন্দোলনের সময় সংসদে দাঁড়িয়ে বলা তাঁর মন্তব্যটি এখনো দেশবাসীর কানে বাজে। তিনি বলেছিলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা সুযোগ পাবে না, রাজাকারের বাচ্চারা সুযোগ পাবে? তাদের জন্য মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংকুচিত করতে হবে?’ আরো অনেক কিছু। তিনি এক বক্তব্যে কোটা আন্দোলনরত সব ছাত্রছাত্রীকে রাজাকারের সন্তান বানিয়ে দিয়েছিলেন। বাদ পড়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ও দেশের প্রথম সারির শিল্পপতি  ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ইমেজ নিয়ে কোনো প্রশ্ন না থাকলেও রাজধানী উন্নয়ন করপোরেশনের সীমাহীন অসহনীয় দুর্নীতি ও দুর্ভোগ তিনি মোটেও কমাতে পারেননি। একজন ভুক্তভোগী হিসেবে একথা বার বার বলতে পারি। কতটুকু প্রচেষ্টা তিনি নিয়েছিলেন জানি না।

বাদ পড়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ এই আত্মীয়ের ব্যক্তিগত সততা নিয়ে কোনো প্রশ্ন না থাকলেও তার রাজনৈতিক আইডেনটিটি বার বারই প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। যেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্যও ছিল বিব্রতকর। তাছাড়া বিদেশে শ্রমবাজার সৃষ্টির ক্ষেত্রে কিছু পজিটিভ উদ্যোগ নিলেও সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশ থেকে নারী গৃহকর্মীদের ফিরে আসার করুণ কাহিনি ছিল বছরের উল্লেখযোগ্য বিষয়।

বাদ পড়েছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানও। এটি  দেশের জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। পরিবহন সেক্টরের নৈরাজ্যের ভুক্তভোগী এদেশের প্রতিটি সাধারণ মানুষ। কিশোর আন্দোলনে তার যে ভূমিকা, সেটাও ছিল মারাত্মক প্রশ্নবিদ্ধ। দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর তিনি বলেছিলেন, ‘মহারাষ্ট্রে দুর্ঘটনায় প্রতিদিন ৩৩ জন মারা যায় আর এখানে এই সামান্য বিষয় নিয়ে এত হইচই!’ শিক্ষার্থীরা নেমে এসেছিল রাস্তায়। হাতে তুলে নিয়েছিল ট্রাফিক ব্যবস্থা। তাকে পদত্যাগ করানোর দাবি উঠেছিল বার বার। যাক অবশেষে তিনি গেলেন।

একইভাবে সমালোচিত হয়েছিলেন হাসানুল হক ইনু। তিনি লেখাপড়া জানা মানুষ। চমৎকার বলেন। কিন্তু তার সময়ে বাংলাদেশ টেলিভিশন কিছু লোকের হাতে চলে যায়। সংসদ টিভি নামের চ্যানেলটির কোনো কার্যক্রম ছিল না বললেই চলে। তিনি কাজের জন্য যতটা সমালোচিত, তার চেয়ে অনেক বেশি সমালোচিত ছিলেন তার লাগামছাড়া এবং অতি-আওয়ামী লীগ হওয়ার প্রচেষ্টার কারণে।

রাশেদ খান মেনন ওয়ার্কার্স পার্টির একসময়ের তুখোড় নেতা। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা তিনি রাখতে পারেননি। তাছাড়া ভিকারুন নিসা নূন স্কুলকেন্দ্রিক কিছু অনিয়মের অভিযোগও শোনা গেছে তার ক্ষেত্রে।

নুরুল ইসলাম নাহিদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রশ্নপত্র ফাঁসে রেকর্ড করেছে বছর বছর। বছরের শুরুতে নতুন বই যেমন শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছেছে, তেমনি কোচিংবাণিজ্য চলেছে অবাধে। পাঠ্যসূচিতে মানসম্পন্ন পরিবর্তন কিছুই তিনি আনতে পারেননি। বরং সৃজনশীল নামে অদ্ভুত ধরনের এক পাঠ্যক্রম সংযোজনে ছাত্রছাত্রীদের নাভিশ্বাস অবস্থা। এই পদ্ধতির পক্ষে নেই কোনো ছাত্র বা অভিভাবক। কাউকেই সন্তুষ্ট দেখিনি। জিপিএ-৫’র ছড়াছড়ি, নেই পড়ালেখার মান। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেয়ে গেছে শহর। কিন্তু সেগুলোর মান নিয়ন্ত্রণের কোনো অবস্থা আছে কি-না আমরা জানি না।

বাদ পড়েছেন জাতীয় পার্টি (জেপি-মঞ্জু) থেকে নির্বাচিত আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। তিনি একজন রাজনীতিক, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী। বিখ্যাত রাজনীতিবিদ দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ছেলে।  পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বড় ধরনের কোনো সমস্যার কথা আমরা শুনিনি তার সময়কালে। নিজ এলাকায় তার যথেষ্ট জনপ্রিয়তা আছে। তিনি সাতবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য।

বাদ পড়েছেন জাতীয় পার্টির গোলাম কাদের। ব্যক্তিজীবনে তিনি সৎ ও নির্লোভ মানুষ। তবে তার সময়ে সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য এলাকার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে না হয়েছে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, না গড়ে উঠেছে কোনো পর্যটন সংস্কৃতি। এক পর্যটনকে দিয়েই বাংলাদেশ অর্জন করতে পারত প্রচুর দেশি-বিদেশি মুদ্রা। কিন্তু পরিকল্পনার অভাবে এই দিকটিতে কোনো অগ্রগতি হয়নি। তাছাড়া জাতীয় পার্টি এবার সংসদে বিরোধী দল। গতবারের মতো দুদিকে এবার তারা নেই। কাজেই তার মন্ত্রিত্ব না পাওয়ারই কথা। একই কারণে বাদ পড়েছেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

মন্ত্রিসভায় নেই সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। তাকে নিয়ে কখনো কোনো বিরূপ বা নেতিবাচক সমালোচনা শুনিনি। তিনিও একজন অনাড়ম্বর মানুষ। তার শিল্পীসত্তা রাজনৈতিক সত্তার চেয়ে বড়। কিন্তু রাজনীতির মাঠেও তিনি ছিলেন সক্রিয়। দেশের শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশের জন্য কাজ করেছেন। শিল্পীসমাজ নিজেদের একজন মানুষ পেয়ে আনন্দিত ছিল।

এবারের মন্ত্রিসভায় নেই তারানা হালিমও। তারানা হালিম নিজে একজন শিল্পী, অত্যন্ত ভালো ছাত্রী, সুবক্তা, আইনজীবী, সমাজকর্মী। ডাক ও টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে তিনি যথেষ্ট অবদান রেখেছেন। পরে অবশ্য তাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী করা হয়। শোনা যায়, বিটিসিএলের এমডি নিয়োগ, দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ক্রয়সহ নানান বিষয়ে আপস না করায় বহু মানুষের বিরাগভাজন ছিলেন তিনি।

মন্ত্রিসভায় নেই মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম। অবৈধভাবে সম্পত্তির মালিক হওয়ার অভিযোগে দুদক দুই ধারায় এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। বিচারে বিশেষ জজ আদালতে তার ১৪ বছরের কারাদণ্ড হয়। তিনি অবশ্য হাইকোর্টে আপিল করে খালাস পান। মন্ত্রিত্ব না পাওয়ার পেছনে এ-সংক্রান্ত কোনো কারণ আছে কি-না তা অজ্ঞাত।

মন্ত্রিসভায় নেই সাজেদা চৌধুরী ও সাহারা খাতুনের মতো ত্যাগী ও নিবেদিত রাজনীতিকরা। এ ছাড়া মন্ত্রিসভায় নেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ চৌধুরী, ইমাজউদ্দিন প্রামাণিক, মুজিবুল হক, মুজিবুল হক চুন্নু, মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, শামসুর রহমান শরীফ, নারায়ণচন্দ্র শীল, এ কে এম শাহজাহান কামাল।

শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে এসেছেন দীপু মনি। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করার পর তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি তেমন সাফল্য দেখাতে পারেননি। দীপু মনির বাবা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ ছিলেন। পেশায় ডাক্তার, চমৎকার বক্তা দীপু মনি। আমরা আশা করছি, তিনি শিক্ষা সেক্টরকে ঢেলে সাজাতে পারবেন।

ড. হাছান মাহমুদ ফিরে এসেছেন তথ্যমন্ত্রী হিসেবে। এর আগে তিনি বন ও পরিবেশমন্ত্রী হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। অত্যন্ত মিষ্টভাষী ডায়নামিক এই মানুষটি তথ্য মন্ত্রণালয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়কে দক্ষ হাতে সামলাতে পারবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস। বিশেষ করে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে যখন দেশ টালমাটাল, তখন তার মতো একজন দক্ষ লোকের সত্যিই দরকার ছিল। 

মন্নুজান সুফিয়ান আবারো ফিরে এসেছেন শ্রম ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে। তিনি ট্রেড ইউনিয়ন নেত্রী। খালি পায়ে রাস্তায় হাঁটা আটপৌরে সাধারণ মানুষ তিনি। সারাটা জীবন কাটিয়েছেন শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে। তার কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত বিভাগের পূর্ণ মন্ত্রী হয়েছেন শ. ম. রেজাউল করিম। পিরোজপুরের সন্তান এই মানুষটি ব্যক্তিজীবনে একজন অ্যাডভোকেট। অসাধারণ ভালো বক্তা। যুদ্ধাপরাধ বিচার ট্রাইব্যুনালে কাজ করেছেন। আমাদের গভীর বিশ্বাস গৃহায়ন ও গণপূর্ত, বিশেষ করে রাজউকের দুর্নীতির মূলোৎপাটন করতে পারবেন তিনি।

৪৮ সদস্যের এই মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী ২৪ জন, প্রতিমন্ত্রী ১৯ জন ও উপমন্ত্রী হয়েছেন ৩ জন। নতুন প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন আহসান উল্লাহ মাস্টারের সুযোগ্য পুত্র জাহিদ হোসেন রাসেল। এসেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ভাই আবদুল মোমেন, এম এ মান্নান, নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, গোলাম দস্তগীর গাজী, জাহিদ মালেক, সাধন চন্দ্র মজুমদার, টিপু মুনশি, নুরুজ্জামান আহমেদ, শাহাবউদ্দিন, বীর বাহাদুর ঊ শে সিং, সাইফুজ্জামান চৌধুরী, নুরুল ইসলাম সুজন, কামাল আহমেদ মজুমদার,  ইমরান আহমেদ, আশরাফ আলী খান খসরু, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মো. জাকির হোসেন, ফরহাদ হোসেন, স্বপন ভট্টাচার্য, জাহিদ ফারুক,  মো. মুরাদ হাসান, শরীফ আহমেদ, এম খালিদ, এনামুর রহমান, মাহবুব আলী, কে মো. আবদুল্লাহ, হাবিবুন নাহার, একেএম এনামুল হক শামীম, মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

এবারের মন্ত্রিসভা বড় একটা চমক ছিল দেশবাসীর জন্য। যারা এতদিন বলে এসেছেন আওয়ামী লীগ শুধু পুরনোদেরই বার বার সুযোগ দেয়, তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করে না, তাদের জন্য এ মন্ত্রিসভা সত্যিই বিস্ময়ের, একই সঙ্গে আশার। শুধু তা-ই নয়, কাজের মূল্যায়নের ভিত্তিতেই এবার পুরনো মন্ত্রীরা নতুন করে এসেছেন। যারা কাজ ভালো করতে পারেননি, তাদের মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অনেককে মনোনয়নও দেওয়া হয়নি। এটা ছিল নতুন সরকারের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে সরকার।

এবারের মন্ত্রিসভায় যেন নতুনের জয়জয়কার। ডিজিটাল বাংলাদেশ নতুন প্রজন্মকে আধুনিক করে তুলেছে। আর নতুনের হাত ধরে পুরাতনেরাও আজ আধুনিক হতে চাইছে। এই নতুন মন্ত্রিসভার নতুন মুখেরা পুরনোদের প্রজ্ঞা আর অভিজ্ঞতার সঙ্গে নিজেদের মেধা আর শ্রমের সমন্বয় করে দেশটাকে সদর্পে স্বমহিমায় এগিয়ে নিয়ে যাবে- এই আশাবাদ আমাদের।

 

হ লেখক : কথাসাহিত্যিক ও সাবেক যুগ্ম সচিব

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads