• শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
খুলনা থেকে সিলেট এবং বিজেপি নেতার দাবি

বিজেপি নেতা সুব্রারহ্মনিয়াম স্বামী

মতামত

খুলনা থেকে সিলেট এবং বিজেপি নেতার দাবি

  • প্রকাশিত ২৮ আগস্ট ২০১৯

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতা সুব্রারহ্মনিয়াম স্বামী খুলনা থেকে সিলেট পর্যন্ত বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ ভূমি ভারতকে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। গত ২০ আগস্ট দৈনিক বাংলাদেশের খবরের প্রথম পৃষ্ঠায় আসামের ‘দৈনিক সাময়িক প্রসঙ্গ’র উদ্ধৃতি দিয়ে এবং বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, নিজের দাবির সমর্থনে ইতিহাসের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মিস্টার স্বামী বলেছেন, ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ মুসলমান ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে। তারা এখনো অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছে। এই মুসলমানরা যেহেতু বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ সেহেতু বাংলাদেশকেও তার এক-তৃতীয়াংশ ভূমি ভারতকে দিতে হবে। এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতার ফর্মুলা হলো, বাংলাদেশকে খুলনা থেকে সিলেট পর্যন্ত সমান্তরাল রেখা টেনে সেই সম্পূর্ণ ভূমি ভারতের হাতে তুলে দিতে হবে। ভারতকে ‘ঠকিয়ে’ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানকে অনেক বেশি অঞ্চল দেওয়া হয়েছিল বলে এটা নাকি বাংলাদেশের কাছে ভারতের ‘ঐতিহাসিক পাওনা’! সে কারণে বাংলাদেশের কাছ থেকে এই ভূমি ফেরত নেওয়া হবে। বিষয়টি তিনি যথাসময়ে ভারতের লোকসভায় পেশ করবেন বলেও জানিয়েছেন মিস্টার সুব্রাহ্মনিয়াম স্বামী।

বিজেপি ভারতের কোনো সাধারণ দল নয়। জনসংঘ, রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (আরএসএস) এবং হিন্দু মহাসভা ধরনের কয়েকটি উগ্র হিন্দুত্ববাদী দলের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এ দলটি একবার অটল বিহারী বাজপেয়ির নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছিল। বর্তমানেও নরেন্দ্রনাথ মোদির নেতৃত্বে বিজেপি দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের ক্ষমতায় এসেছে। কয়েকটি রাজ্যেও বিজেপি এখন ক্ষমতায় রয়েছে। তা ছাড়া কোনো কোনো রাজ্যে বিজেপিপ্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে। বস্তুত জনসমর্থন ও সাংগঠনিক অবস্থার দিক থেকে বিজেপি ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসসহ ভারতের বড় সব দলকে ছাড়িয়ে গেছে। সুতরাং বিজেপির কেন্দ্রীয় শীর্ষ কোনো নেতার বক্তব্যকে হালকাভাবে নেওয়ার পরিণতি বাংলাদেশের জন্য মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে।

কিন্তু সব জেনে-বুঝেও আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ কোনো রাজনৈতিক দলই সোচ্চার হয়নি। মনে হয় তারা একে হালকাভাবে নিয়েছেন বা গুরুত্বের জায়গা থেকে তাদের কাছে এটি ধর্তব্যের মধ্যে পড়ে না। তবে বিজেপি নেতার এই উসকানিমূলক দাবি ও বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন পর্যায়ে আবারো ভারতীয়দের বাংলাদেশনীতি প্রসঙ্গে কথা উঠেছে। কারণ, বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারতের নীতি-কৌশল ও কার্যক্রম সব সময় সম্প্রসারণবাদী হিসেবে চিহ্নিত ও প্রতিষ্ঠিত হয়ে এসেছে। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় তাদের কোন দল তা মুখ্য নয়।

ভারতীয়দের বাংলাদেশবিরোধী ধারাবাহিক কর্মকাণ্ডের সূত্র ধরেই এবার দৃশ্যপটে এসেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা মিস্টার ‘স্বামী’। আপত্তির কারণ হলো, তিনি কিন্তু মুদ্রার একটি মাত্র দিকই তুলে ধরেছেন। লক্ষ করেননি, ‘কান টানলে মাথা আসে’ বলেও একটা প্রবাদ রয়েছে। কথাটা বলার কারণ, একদিকে তিনি বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষকে—তাও আবার মুসলমানদের ভারতে ‘ঢুকিয়ে’ ছেড়েছেন, অন্যদিকে স্বীকার করেননি, ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগকালে সবদিক থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল পূর্ব পাকিস্তানকে তথা আজকের বাংলাদেশকে। দীর্ঘ সে ইতিহাসের আলোচনা এখানে সম্ভব নয়। পাঠকরা মরহুম আবুল মনসুর আহমদের ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ গ্রন্থটি পড়ে দেখতে পারেন। ইংরেজি দৈনিক দ্য স্টার-এর সম্পাদক মাহফুজ আনামের পিতা এবং প্রখ্যাত রাজনীতিক-সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ ব্রিটিশ ভারতে প্রথমে শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হকের নেতৃত্বে কৃষক-প্রজা পার্টির এবং পরে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের বৃহত্তর ময়মনসিংহ এলাকার একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন। পাকিস্তানের রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। ১৯৫৬ সালের সেপ্টেম্বরে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে প্রধানমন্ত্রী করে সরকার গঠন করার পর তিনি কেন্দ্রীয় শিল্পমন্ত্রী হয়েছিলেন। একাধিকবার ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন। তার গ্রন্থ ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ এখনো এ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস জানার একটি প্রধান অবলম্বন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলন সম্পর্কে তো বটেই, বিশেষ করে ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগকালে ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কেও বিস্তারিতভাবে লিখেছেন আবুল মনসুর আহমদ।

‘কলিকাতার দাবি’ শিরোনামে এক উপ-অধ্যায়ে তিনি জানিয়েছেন, ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে পূর্ব পাকিস্তানের ভাগে কোন কোন এলাকা আসবে সে বিষয়ে ইংরেজ গভর্নর স্যার আর জে ক্যাসির সঙ্গে কথা বলেছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। গভর্নর ক্যাসি প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দীকে জানিয়েছিলেন, কলকাতা এবং দার্জিলিং হবে উভয় বাংলার অর্থাৎ ভারতের বর্তমান রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ এবং পূর্ব পাকিস্তান তথা আজকের বাংলাদেশের ‘কমন’ শহর। এ ছাড়া কলকাতাসংলগ্ন চব্বিশ পরগণার বারাকপুর, বারাসাত, ভাঙ্গর ও বশিরহাটসহ বেশ কিছু এলাকা পূর্ব পাকিস্তানের ভাগে পড়ার কথা ছিল। অন্য সব সূত্রেও জানা গেছে, পলাশী যুদ্ধের জন্য বিখ্যাত মুর্শিদাবাদ এবং করিমগঞ্জসহ আসামের বিরাট অঞ্চলও পূর্ব পাকিস্তানকে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওয়াহেরলাল নেহরু ও প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরদার বল্লভভাই প্যাটেলদের মারপ্যাঁচ এবং ইংরেজ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেনের অঙ্গীকার ভঙ্গের কারণে পূর্ব পাকিস্তান সর্বাত্মকভাবে বঞ্চিত হয়েছিল। এই বঞ্চনা শুধু অঞ্চল না দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, ক্ষতিপূরণ বাবদ নগদ অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রেও পূর্ব পাকিস্তানকে বঞ্চিত করা হয়েছিল।

উদাহরণ দেওয়ার জন্য আবারো আবুল মনসুর আহমদের ওই গ্রন্থের সাহায্য নেওয়া দরকার। তিনি জানিয়েছেন, কথা ছিল, কলকাতার বিনিময়ে পূর্ব পাকিস্তানকে নগদে ৩৩ কোটি টাকা দেওয়া হবে। ঢাকাকে আন্তর্জাতিক মানের রাজধানী হিসেবে সাজিয়ে তোলার খরচ হিসেবে তখনকার দিনে ৩৩ কোটি টাকা যথেষ্ট ছিল। কিন্তু একেবারে শেষ মুহূর্তে নেহরু-প্যাটেলরা চাণক্য হিসাবের কূটচাল চেলেছিলেন। তারা বলেছিলেন, কলকাতার বিভিন্ন স্থাপনার দাম নির্ধারণ করা হবে ‘বুক ভ্যালু’র ভিত্তিতে। অর্থাৎ যখন যেটা নির্মিত হয়েছিল তখন যত টাকা খরচ হয়েছিল সেটাই হবে বিনিময় মূল্য। অন্যদিকে পাকিস্তানপন্থিরা ক্ষতিপূরণ চেয়েছিলেন ওই সময়ের অর্থাৎ ১৯৪৭ সালের বাজার দরে। এর ভিত্তিতে টাকা দিতে গেলে ভারতকে শত কোটি টাকার ওপর গুনতে হতো। এ জন্যই নেহরু-প্যাটেলরা ‘বুক ভ্যালু’র তত্ত্ব এনেছিলেন।

বাস্তবে পূর্ব পাকিস্তান কিন্তু ‘বুক ভ্যালু’র ভিত্তিতেও টাকা পায়নি। কারণ এরই মধ্যে আবার ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ পূর্ব পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন শহরের বিনিময়ে অর্থ দাবি করেছিলেন নেহরু-প্যাটেলরা। রীতিমতো অঙ্ক কষে তারা দেখিয়েছিলেন, ভারতের কাছে পূর্ব পাকিস্তানের পাওনার পরিমাণ মাত্র তিন কোটি টাকা; অন্যদিকে পূর্ব পাকিস্তানের কাছে ভারতের পাওনার পরিমাণ ৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ শত কোটি বা ৩৩ কোটি টাকা পাওয়া দূরে থাকুক, পূর্ব পাকিস্তানকেই উল্টো ছয় কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে! এমন এক বিচিত্র পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে আবুল মনসুর আহমদ লিখেছেন, ‘সত্য যুগে ছিল : ‘শুভঙ্করের ফাঁকি, তেত্রিশ থনে তিনশ গেলে তিরিশ থাকে বাকি’; আর কলিযুগে : ‘শুভঙ্করের ফাঁকি, তেত্রিশ থনে শূন্য গেলে দেনা থাকে বাকি’! (‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’, পৃষ্ঠা— ২৫৭-২৬৭)।

বলা দরকার, নেহরু-প্যাটেলদের কূটকৌশলই পূর্ব পাকিস্তানের বঞ্চিত হওয়ার একমাত্র কারণ ছিল না। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল অন্য একটি বিশেষ কারণও। পশ্চিম পাকিস্তানের অবাঙালি নেতৃত্বের পূর্ব বাংলাবিরোধী নীতি-কৌশলের সুযোগে এ ব্যাপারে প্রধান ভূমিকা রেখেছিলেন ভারতের শেষ ইংরেজ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন। তার স্ত্রী এডুইনার সঙ্গে আগে থেকেই নেহরুর প্রশ্নসাপেক্ষ ও রহস্যময় সম্পর্ক ছিল। তার ওপর পাকিস্তানের ‘জাতির পিতা’ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ নিজেই প্রথম গভর্নর জেনারেল হয়ে বসায় মাউন্টব্যাটেন খুবই ক্ষুব্ধ ও অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। তার ইচ্ছা ছিল, তিনি ভারত ও পাকিস্তান উভয় রাষ্ট্রেরই গভর্নর জেনারেল হবেন। ভারত এতে রাজি হয়েছিল। কিন্তু অস্বীকার করেছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। এ অসন্তোষেরই ঝাল ঝেড়েছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন। এ সম্পর্কে ঐতিহাসিক অনেক তথ্যেরই উল্লেখ করা এবং বিভিন্ন গ্রন্থের উদ্ধৃতি দেওয়া সম্ভব। এখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ থেকে কিছু উদ্ধৃতি দেওয়া যাক। দেশবিভাগকালে ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনা দিতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, ‘বড়লাট মাউন্টব্যাটেন তলে তলে কংগ্রেসকে সাহায্য করছিলেন। (জিন্নাহ নিজেই গভর্নর জেনারেল হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর) মাউন্টব্যাটেন খেপে গিয়ে পাকিস্তানের সর্বনাশ করার চেষ্টা করলেন।...’ (পৃষ্ঠা— ৭৪)

বঙ্গবন্ধু আরো লিখেছেন, ‘...মাউন্টব্যাটেন সুযোগ পেয়ে যশোর জেলায় সংখ্যাগুরু মুসলমান অধ্যুষিত বনগাঁ জংশন অঞ্চল কেটে দিলেন। নদীয়ায় মুসলমান বেশি, তবু কৃষ্ণনগর ও রানাঘাট জংশন ওদের দিয়ে দিলেন। মুর্শিদাবাদে মুসলমান বেশি কিন্তু সব জেলাই দিয়ে দিলেন। মালদহ জেলায় মুসলমান ও হিন্দু সমান সমান তার আধা অংশ কেটে দিলেন, দিনাজপুরে মুসলমান বেশি বালুরঘাট মহকুমা কেটে দিলেন যাতে জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং হিন্দুস্তানে যায় এবং আসামের সঙ্গে হিন্দুস্তানের সরাসরি যোগাযোগ হয়। উপরোক্ত জেলাগুলো কিছুতেই পাকিস্তানে না এসে পারত না। এদিকে সিলেটে গণভোটে জয়লাভ করা সত্ত্বেও (লর্ড মাউন্টব্যাটেন) মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ করিমগঞ্জ মহকুমা ভারতবর্ষকে দিয়েছিলেন। আমরা আশা করেছিলাম, আসামের কাছাড় জেলা ও সিলেট জেলা পাকিস্তানের ভাগে না দিয়ে পারবে না। আমার বেশি দুঃখ হয়েছিল করিমগঞ্জ নিয়ে। ...যে কলকাতা পূর্ব বাংলার টাকায় গড়ে উঠেছিল সেই কলকাতা আমরা স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলাম।...কলকাতা পাকিস্তানে থাকলে পাকিস্তানের রাজধানী কলকাতায় করতে বাধ্য হতো। কারণ, পূর্ব বাংলার লোকেরা দাবি করত, পাকিস্তানের জনসংখ্যায়ও তারা বেশি আর শহর হিসেবে তদানীন্তন ভারতবর্ষের শ্রেষ্ঠ শহর কলকাতা।...’ (পৃষ্ঠা- ৭৮-৭৯)

দেখা গেল, বয়সে প্রবীণ আবুল মনসুর আহমদ থেকে কিছুটা নবীন নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পর্যন্ত প্রত্যেকেই যে বর্ণনা দিয়েছেন সে অনুযায়ী বিভাগকালে পূর্ব পাকিস্তান তথা আজকের বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে ব্যাপকভাবেই বঞ্চিত হয়েছিল। কথাটা বিশেষ করে ‘স্বামী’ ধরনের বিজেপি নেতারা মনে রাখলে সবার জন্যই মঙ্গল হতে পারে। একই কারণে খুলনা থেকে সিলেট পর্যন্ত সমান্তরাল রেখা টেনে একতৃতীয়াংশ ভূমি ভারতের হাতে তুলে দেওয়ারও প্রশ্ন উঠতে পারে না।

শাহ আহমদ রেজা

লেখক : সাংবাদিক ও ইতিহাস গবেষক

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads