• সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৬
ads
রোজা রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো

ছবি : সংগৃহীত

ধর্ম

রোজা রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো

  • সৈয়দ ফয়জুল আল আমীন
  • প্রকাশিত ২০ মে ২০১৯

রোজার সময় সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পানাহারে বিরত থাকতে হয়। এতে দেহের ওপর কী প্রভাব পড়ে? আপনি কি জানেন রোজা রাখলে আপনার শরীরে কী ঘটে? রোজা রাখা যে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো তা আজ সর্বজনস্বীকৃত। তবুও এ বিষয়ে কিছু আলোচনা করা যেতেই পারে। রোজা কোন কোন দিক বিবেচনায় স্বাস্থ্যের জন্য ভালো সেসব নিয়ে আজকের সংক্ষিপ্ত আলোচনা।

 

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় : শেষবার খাবার খাওয়ার পর ৮ ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত কিন্তু মানুষের শরীরে সেই অর্থে উপোস বা রোজার প্রভাব পড়ে না। কারণ আমরা যে খাবার খাই, পাকস্থলীতে তা পুরোপুরি হজম হতে এবং এর পুষ্টি শোষণ করতে অন্তত ৮ ঘণ্টা সময় নেয় শরীর। যখন এই খাদ্য পুরোপুরি হজম হয়ে যায়, তখন আমাদের শরীর যকৃৎ এবং মাংসপেশিতে সঞ্চিত থাকে যে গ্লুকোজ, সেটা থেকে শক্তি নেওয়ার চেষ্টা করে। শরীর যখন এই চর্বি খরচ করতে শুরু করে, তা আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।

শরীরে কর্মক্ষমতা বাড়ায় : রোজা রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, কারণ এটি শরীরে কর্মক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষ করে রমজান মাসের দ্বিতীয়ার্ধে আপনার শরীর কিন্তু পুরোপুরি রোজার সঙ্গে মানিয়ে নেবে। আপনার শরীরের পাচকতন্ত্র, যকৃৎ, কিডনি এবং দেহত্বক এখন এক ধরনের পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যাবে। সেখানে থেকে সব দূষিত বস্তু বেরিয়ে আপনার শরীর যেন শুদ্ধ হয়ে উঠবে। এসময় আপনার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তাদের পূর্ণ কর্মক্ষমতা ফিরে পাবে। আপনার স্মৃতি এবং মনোযোগের উন্নতি হবে এবং আপনি যেন শরীরে অনেক শক্তি পাবেন।

সংক্রমণ রোধে সাহায্য করে : সাধারণত দৈনন্দিন জীবনে আমরা অনেক বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার খাই এবং এর ফলে আমাদের শরীর অন্য অনেক কাজ ঠিকমতো করতে পারে না, যেমন ধরুন শরীর নিজেই নিজেকে সারিয়ে তুলতে পারে। কিন্তু রোজার সময় যেহেতু আমরা উপোস থাকছি, তাই শরীর তখন অন্যান্য কাজের দিকে মনোযোগ দিতে পারে। কাজেই রোজা কিন্তু শরীরের জন্য বেশ উপকারী। এটি শরীরের ক্ষত সারিয়ে তোলা বা সংক্রমণ রোধে সাহায্য করতে পারে।

ওজন কমাতে সাহায্য করে : যেহেতু রোজার সময় কেবল দিনের বেলাতেই আপনাকে না খেয়ে থাকতে হয়, তাই আমাদের শরীরের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট খাবার এবং তরল বা পানীয় গ্রহণের সুযোগ থাকছে রোজা ভাঙার পর। এটি আমাদের মাংসপেশিকে রক্ষা করে এবং একই সঙ্গে আমাদের ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads