• বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
আন্তর্জাতিক কল কমেছে এক কোটি মিনিট

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের লোগো

সংগৃহীত ছবি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আন্তর্জাতিক কল কমেছে এক কোটি মিনিট

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ৩১ আগস্ট ২০১৮

বৈধ পথে দেশে আসা আন্তর্জাতিক কলের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। গত ছয় মাসে এ ধরনের কল কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। মিনিটের হিসাবে এর পরিমাণ দিনে এক কোটি মিনিটেরও বেশি।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সূত্রে জানা গেছে, এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিদিন আন্তর্জাতিক কল এসেছে গড়ে ৫ কোটি ৪০ লাখ মিনিট। এছাড়া মার্চে এর পরিমাণ ছিল ৫ কোটি ৩০ লাখ মিনিট এবং এপ্রিলে ছিল ৫ কোটি ২০ লাখ মিনিট। অর্থাৎ প্রতি মাসেই কমে আসছে আন্তর্জাতিক কলের পরিমাণ। সবশেষ জুলাই মাসে কলের পরিমাণ কমে প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ মিনিটে নেমে এসেছে।

বিটিআরসির বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিদিন আন্তর্জাতিক ইনকামিং কলের পরিমাণ ছিল গড়ে ৬ কোটি ৫০ লাখ মিনিট, মার্চে ৬ কোটি ৫২ লাখ মিনিট, এপ্রিলে ৬ কোটি ৫৭ লাখ মিনিট এবং মে মাসে ছিল ৬ কোটি ৪৯ লাখ মিনিট। গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতিদিনই আন্তর্জাতিক কল কমছে এক কোটি মিনিটেরও বেশি।

আন্তর্জাতিক ইনকামিং কল কমার পেছনে বর্ধিত কল টার্মিনেশন রেটকেই দায়ী করছেন এ খাত-সংশ্লিষ্টরা। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশন রেট বৃদ্ধি করেছে। আগে সর্বনিম্ন কল টার্মিনেশন রেট ১ দশমিক ৫০ সেন্ট থাকলেও তা বাড়িয়ে প্রতি মিনিটে ১ দশমিক ৭৫ সেন্ট করা হয় এবং সর্বোচ্চ কল টার্মিনেশন রেট ৩ সেন্ট থেকে কমিয়ে ২ দশমিক ৫০ সেন্ট করা হয়।

নিয়ম অনুসারে আন্তর্জাতিক কল থেকে প্রাপ্ত রাজস্বের ৪০ শতাংশ পায় সরকার। সর্বনিম্ন কল টার্মিনেশন রেট ধরে এ রাজস্ব হিসাব করা হয়। সে হিসেবে প্রতিদিন প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

আন্তর্জাতিক কল কমার পেছনে ইন্টারনেটভিত্তিক ভয়েস কলিং অ্যাপকেই (ওভার দ্য টপ বা ওটিটি) দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর বাইরে ভিওআইপির মাধ্যমে অবৈধ পথে মোট কলের বড় একটি অংশ আসাকেও এর কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads