• সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads
বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত টেলি সামাদ

অভিনেতা টেলি সামাদ

সংগৃহীত ছবি

শোবিজ

বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত টেলি সামাদ

  • মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৭ এপ্রিল ২০১৯

বাবা- মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা টেলি সামাদ। আজ রোববার বাদ আছর নয়াগাঁও এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের পাশে দাফন করা গুণী এ অভিনেতাকে।

এর আগে, বিকাল ৩টার দিকে প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্টসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স অবস্থান করে। গুণি অভিনেতাকে এক নজর দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ ভীড় জমায়। বিকাল ৫টার দিকে কলেজ মাঠে তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় টেলি সামাদ। দাফন শেষে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ্র প্রিয় এই অভিনেতাকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানায়।

চার দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা টেলি সামাদ গতকাল শনিবার বেলা ১টা ৩০ মিনিটের দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। চিকিৎসক প্রতীক দেওয়ানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি।

প্রতীক জানান, গত শুক্রবার রাত ১টার দিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় টেলি সামাদকে।

তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। টেলি সামাদ দুই মেয়ে ও দুই ছেলের জনক। মেয়ে— কাকলি ও বিন্দু, ছেলে— সুমন ও দিগন্ত। এর মধ্যে বড় ছেলে সুমন থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে।

টেলি সামাদের জন্ম ১৯৪৫ সালের ৮ জানুয়ারি মুন্সীগঞ্জের নয়াগাঁও গ্রামে। তার আসল নাম আবদুস সামাদ হলেও সিনেমায় এসে হয়ে যান টেলি সামাদ। তিনি পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায়। সঙ্গীতেও পারদর্শী ছিলেন এই গুণী অভিনেতা। ‘মনা পাগলা’ ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেন তিনি।

নজরুল ইসলামের পরিচালনায় ১৯৭৩ সালের দিকে ‘কার বৌ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে এই অঙ্গনে পা রাখেন তিনি। তবে দর্শকের কাছে যে ছবিটির মাধ্যমে সর্বাধিক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন সেটি হলো ‘পায়ে চলার পথ’।

তিনি অভিনয়ের বাইরে ৫০টির বেশি চলচ্চিত্রে গানও গেয়েছেন। অভিনয় করেছেন ছয় শতাধিক চলচ্চিত্রে। যদিও এই অভিনেতার আজীবন আক্ষেপ ছিল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার না পাওয়া নিয়ে। ২০১৫ সালে টেলি সামাদ অভিনীত সর্বশেষ ছবি মুক্তি পায় অনিমেষ আইচের ‘জিরো ডিগ্রি’।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads