• বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৫
ads
সুুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে ববিতার ঈদ উদ্যাপন

ছবি : সংগৃহীত

শোবিজ

সুুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে ববিতার ঈদ উদ্যাপন

  • অভি মঈনুদ্দীন
  • প্রকাশিত ১১ জুন ২০১৯

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নায়িকা ও ডিসট্রেসড চিলড্রেন অ্যান্ড ইনফ্যান্টস ইন্টারন্যাশনাল (ডিসিআইআই)-এর শুভেচ্ছাদূত ববিতা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপন করেছেন। গতকাল ১০ জুন দুপুরে রাজধানীর গুলশানে ববিতার বাসভবনে তিনি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করেন। এ সময় ববিতার সঙ্গে ছিলেন ববিতার বড় বোন সুচন্দা ও ছোট বোন চম্পা। চল্লিশটিরও বেশি শিশু ববিতা, সুচন্দা ও চম্পার সঙ্গে এক অন্যরকম সময় কাটায়।

শিশুরা ববিতাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তার সঙ্গে ঈদ আড্ডায় মেতে ওঠে। এ সময় ববিতার দুই বোনও তাদের সঙ্গে গল্পে মেতে ওঠেন। তিন বোনকে শিশুরা গানও শোনায়। শিশুরা ববিতাকে রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ,  শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে এবং রেললাইনের ঐ বস্তিতে জন্মেছিল একটি ছেলে গানগুলো গেয়ে শোনায়। গানের পাশাপাশি শিশুরা ‘সোহাগ চাঁদবদনি’ গানের সঙ্গে নাচ পরিবেশন করে। শিশুদের নাচে-গানে মুগ্ধ হন সুচন্দা, ববিতা ও চম্পা। ডিসিআইআই’র শুভেচ্ছাদূত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন ববিতা। শুধু দেশেই নয়, দেশের বাইরেও তিনি ডিসিআইআই’র হয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। একজন আন্তর্জাতিক শিল্পী হিসেবে ববিতা দেশের জন্য এর আগে সিনেমায় অভিনয় করে যেমন সুনাম কুড়িয়েছিলেন, ঠিক তেমনি দেশের হয়ে তিনি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য কাজ করে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনছেন।

ববিতা বলেন, ‘আমি এর আগেও ঈদে, আমার জন্মদিনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে বিশেষভাবে সময় কাটিয়েছি। সুবিধাবঞ্চিত এসব শিশু প্রতিভাবাবন এবং মেধাবীও বটে। শুধু লেখাপড়াই নয়, লেখাপড়ার পাশাপাশি তারা বিভিন্ন কাজে বেশ পারদর্শী। শিশুরা আমাদের গান গেয়ে শুনিয়েছে, নৃত্য পরিবেশন করেছে। সত্যিই তাদের এই পরিবেশনায় আমি, আমরা আবেগাপ্লুত। তাদের ভালোবাসায় মুগ্ধ আমি। আমি মনে করি, উপযুক্ত সুবিধা পেলে তারাও সমাজ ও দেশের কর্ণধার হয়ে উঠবে একদিন ইনশাল্লাহ। আমি সমাজের সব বিত্তবান ব্যক্তিকে ডিসিআইআইর শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।’

শিশুদের নাচ-গানের পরিবেশন শেষে ববিতা, সুচন্দা ও চম্পা তাদের সবার সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।

সুচন্দা বলেন, ‘ববিতার এই আয়োজনে ফুলের মতো শিশুদের সঙ্গে অনেকটা সময় কাটাতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত। আমার বাবা প্রায়ই বলতেন, একই বৃন্তে তিনটি ফুল। আমরা তিন বোন সেই তিনটি ফুল হয়ে সারা জীবন একসঙ্গেই থাকতে চাই, শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে চাই। নিঃসন্দেহে ববিতার এই আয়োজন তার প্রতি আমার ভালোবাসা আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।’

চম্পা বলেন, ‘ববিতা আপার এটা এক অন্যরূপ দেখা আমার। তার মধ্যে যে মাতৃত্ববোধ আছে সেটা বার বার আপা তার কাজের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করেছেন। ছোট ছোট শিশুদের মায়ের ভালোবাসা দিয়ে, মমতা দিয়ে যেভাবে শিশুদের আগলে রেখেছেন তা পরিবারের সদস্য হিসেবে আমাকে অনেক অনেক গর্বিত করে। শিশুদের সঙ্গে আপার ঈদ উদ্যাপন আমাকে অনেক আনন্দিত করেছে।’

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads