• শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬
ads

শোবিজ

৭৫ নট আউট

  • অভি মঈনুদ্দীন
  • প্রকাশিত ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার ও নির্দেশক আবুল হায়াত জীবন চলার পথে আজ ৭৫ বছর পূর্ণ করে ৭৬-এ পা রাখছেন। তার ৭৫তম জন্মজয়ন্তীতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ দেশের নানান অঙ্গনের ১০০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির লেখা নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে ‘সার্থক জনম তোমার হে শিল্পী সুনিপুণ’। বইটিতে যারা আবুল হায়াতকে নিয়ে লিখেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন সৈয়দ হাসান ইমাম, আতাউর রহমান, আলী যাকের, আসাদুজ্জামান নূর, সুবর্ণা মুস্তাফা, সুলতানা কামাল, আবুল হায়াতের বন্ধু কবি-স্থপতি রবিউল হুসাইন, বিপাশা হায়াত, তৌকীর আহমেদ, শাহেদ শরীফ খান, অপূর্ব, সজল, তিশা, সকাল আহমেদসহ আরো অনেকে।

বইটি সম্পাদনা করেছেন জিয়াউল হাসান কিসলু। বইটি প্রকাশ করেছে প্রিয় বাংলা প্রকাশন। ‘অভিনয় শিল্পী সংঘ’ ও ‘নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়’র যৌথ উদ্যোগে আজ আবুল হায়াতকে সম্মাননা জানানোরও কথা ছিল। কিন্তু জরুরি কাজে স্ত্রী শিরীন হায়াতকে নিয়ে আবুল হায়াতকে ব্যাংককে যেতে হয়েছে বিধায় আপাতত অনুষ্ঠানটি করা হলো না।

আবুল হায়াত তার আজকের অবস্থানে আসার নেপথ্যে যাদের অবদান রয়েছে এবং জন্মদিন প্রসঙ্গে বলেন, ‘শুরুতেই আমি আমার বাবা এবং মায়ের কাছে কৃতজ্ঞ। এরপর আমার স্ত্রীর কাছে। কারণ আমি নানান সময়ে চাকরি নিয়ে, অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। কিন্তু আমার সংসার, আমার সন্তানদের আগলে রেখেছিলেন আমার স্ত্রী। আমার স্ত্রী সন্তানদের আমি সময় দিতে পারিনি, যা দেওয়া উচিত ছিল। আমার নাটকের দল নাগরিক নাট্যসম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞ। কৃতজ্ঞ গোলাম মুস্তাফা, সৈয়দ হাসান ইমাম, আবুল খায়ের ও সিরাজুল ইসলামের কাছে যাদেরকে আমি গুরু বলে মেনে চলি এবং যাদের জীবনাচার্য্য, অভিনয় আমি আদর্শ হিসেবে মেনে এগিয়ে চলি। জন্মদিনে সবার কাছে দোয়া চাই আর অভিনয় জীবনে আমার অভিজ্ঞতা, আমার অর্জন অপ্রথাগতভাবে কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠান আগ্রহী হলে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই প্রজন্মের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই।’

গতকাল ছিল আবুল হায়াতের বাবা চট্টগ্রামের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পৃষ্ঠপোষক মো. আবদুস সালামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই আবুল হায়াত প্রথম মঞ্চনাটক ‘টিপু সুলতান’-এ অভিনয় করেন। ‘নাগরিক নাট্যসম্প্রদায়’র হয়ে মঞ্চে তার প্রথম নাটক আতাউর রহমানের নির্দেশনায় ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’। টিভিতে প্রথম নাটক জিয়া হায়দারের প্রযোজনায় ‘ইডিপাস’। প্রথম বিজ্ঞাপন কিউট টুথপেস্ট। মঞ্চে নির্দেশিত তার প্রথম নাটক ‘আগন্তুক’ এবং টিভিতে ‘হারজিৎ’। প্রথম অভিনীত সিনেমা ঋত্বিক কুমার ঘটকের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’।

১৯৭৪ সালে আলী যাকেরের নির্দেশনায় মঞ্চে ‘বাকী ইতিহাস’ নাটকে অভিনয় করে তিনি ‘সিকোয়েন্স অ্যাওয়ার্ড ফর ইনট্রুডিউসিং ন্যাচারালিস্টিক অ্যাক্টিং অন বাংলাদেশ স্টেজ’ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়ে ইতিহাস রচনা করেছেন। এটি বাংলাদেশে দর্শনীর বিনিময়ে প্রথম মঞ্চনাটক। 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads