• শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬
ads

শোবিজ

সৃজনশীল কাজে ভালোবাসা থাকতেই হয়

  • বিনোদন প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা ও নির্মাতা মীর সাব্বির। অসংখ্য টিভি নাটক টেলিফিল্মে বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করে একজন মেধাবী অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। একজন শক্তিমান অভিনেতা হিসেবে মীর সাব্বির জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। পাশাপাশি নির্মাণেও তিনি বেশ মুনশিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন। ছোট পর্দার গণ্ডি ছাড়িয়ে বড় পর্দায় নতুন পরিচয়ে পরিচিত হয়েছেন এ তারকা। প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্র পরিচালক হয়েছেন তিনি।

বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে মীর সাব্বির বলেন, ‘অভিনয় এবং পরিচালনা নিয়েই সময় কাটছে বর্তমানে। কাজের চাপে কোনো কিছু করার সুযোগ পাই না। তবে এখন নতুন নতুন গল্প নিয়ে কাজ করছি। নতুন গল্পে কাজ করার মজাই আলাদা। অভিনয়ের ক্ষেত্রেও তরুণ নির্মাতাদের নাটকে কাজ করতে অন্য রকম ভালো লাগা কাজ করে মনে। সম্প্রতি আমার গ্রামের জীবন নিয়ে ‘অ্যাম্বুলেন্স ডাক্তার’ নাটকটি তৈরি হয়েছে। নাটকটি পরিচালনা করেছেন তরুণ নির্মাতা জুয়েল হাসান। এর আগেও তার সঙ্গে আমার একাধিক নাটকে কাজ করা হয়েছে। আর এ রকম কাজ করতে আমার খুব ভালো লাগে।’

তিন শতাধিক নাটকে অভিনয় করা এ শিল্পী বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা নিয়েও বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। পরিচালনার বিষয়ে এ তারকা জানান, আমার তিন শতাধিক নাটকে কাজ করা হয়েছে। আমি অভিনয় যেমন মনোযোগ ও ভালোবাসার সঙ্গে করি, পরিচালনার কাজটিও সুন্দরভাবে করার চেষ্টা করি। সৃজনশীল কাজে ভালোবাসা থাকতেই হয়। নিজে একটু কাজ করে বাকিটুকু কারো ওপর চাপিয়ে দিয়ে সরে যাই না।

তার পরিচালিত ধারাবাহিক নাটক ‘নোয়াশাল’ ইতোমধ্যে অতিক্রম করেছে ৭০০তম পর্ব। নোয়াশাল সম্পর্কে মীর সাব্বির জানান, ‘এই নাটক দর্শক পছন্দ করছেন। ফলে কোথায় গিয়ে শেষ হবে বলা মুশকিল। আমরা তো কাজ করি প্রথমত নিজের জন্য, তারপর মানুষের জন্য। সব কাজেই প্রেমটা রাখতে চেষ্টা করি। প্রথমে ৫২ পর্বের পরিকল্পনা নিয়ে ‘নোয়াশাল’ শুরু করেছিলাম, কথা সত্য। কিন্তু দর্শক নাটকটি এত পছন্দ করতে শুরু করলেন, আর চ্যানেল কর্তৃপক্ষও চাইলেন বাড়াতে। ৫২ থেকে ১০০ পর্বে গিয়ে শেষ হতে পারত। কিন্তু তা হলো না। এটা সত্যি দর্শকের ভালোবাসার জন্যই হয়েছে।

মীর সাব্বির অভিনীত প্রথম নাটক ছিল বিটিভিতে প্রচারিত ‘পুত্র’। ২০০২ সালে অনন্ত হীরা পরিচালিত ‘বিষকাঁটা’ নাটকে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন তিনি। মীর সাব্বির চন্দন রায় চৌধুরীর নির্দেশনায় ‘কী জাদু করিলা’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন পপির বিপরীতে। এ তারকা মনে করেন, যে কেউ ইচ্ছা করলেই শিল্পী হতে পারে না। মানুষের যে ভালোবাসা এবং যশ ও খ্যাতি এসব আল্লাহপ্রদত্ত। সৃষ্টিকর্তা ও বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মীর সাব্বির।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads