• সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads

শোবিজ

ভাওয়াইয়া গানের পথিকৃৎ’র জন্মবার্ষিকী উদ্যাপিত

  • বিনোদন প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৯ নভেম্বর ২০১৯

গত বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের লেডিস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হলো আব্বাসউদ্দীন সংগীত একাডেমির ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং উপমহাদেশের ভাওয়াইয়া গানের পথিকৃৎ মরমি শিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমেদের ১১৮তম জন্মবার্ষিকী। আব্বাসউদ্দীনের সুযোগ্য কন্যা বিশিষ্ট সংগীত ব্যক্তিত্ব ও আব্বাসউদ্দীন সংগীত একাডেমির প্রিন্সিপাল ফেরদৌসী রহমানের উদ্যোগে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বুধবার বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোক গবেষক, লেখক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, কণ্ঠশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসী। তিনিই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য লোকশিল্পী ও ঢাকা মিউজিক কলেজের অধ্যাপক ইন্দ্র মোহন রাজবংশী, বিশিষ্ট নজরুল সংগীতশিল্পী ও সাংবাদিক সাদিয়া আফরিন মল্লিক ও বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী লেখক, অধ্যাপক ড. নাশিদ কামাল। অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন ফেরদৌসী রহমান। তিনি বলেন, ‘আজ ভীষণভাবে মনে পড়ছে এই সংগীত একাডেমির শুরুর দিকের কথা। এই সংগীত একাডেমির প্রথম মোমবাতি জ্বালানোর অর্থ আমার স্বামী রেজাউর রহমানই দিয়েছিলেন। তারপর থেকে এই একাডেমির অর্থায়নেই একাডেমি পরিচালিত হয়েছে। কষ্টের বিষয় হচ্ছে এই তিন দশকে বিভিন্ন দল ক্ষমতায় এসেছেন। কিন্তু আব্বাসউদ্দীন একাডেমির জন্য একটি নির্ধারিত স্থান করে দিতে কোনো সরকার এগিয়ে আসেনি। আমি কাউকে কিছু বলতে পারি না যে এটা করে দাও, ওটা করে দাও। আমি জানি না আমার অনুপস্থিতিতে এই একাডেমির কী হবে। তাই আমি নাশিদ কামালকে অনুরোধ করছি এখনই হাল ধরার জন্য। আমার বাবা আব্বাসউদ্দীন বেঁচে থাকবেন আগামী প্রজন্মের মধ্যে তাদের গানে গানে। আমি যে এই প্রজন্মের শিশুদের মধ্যে গানের বিষয়টা ফোটাতে পারছি, এটাই অনেক কিছু।’ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মুস্তাফা জামান আব্বাসী বলেন, ‘আপনারা সবাই কষ্ট করে এমন একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন তাতেই আন্তরিকভাবে মুগ্ধ। আপনারাই আমাদের আগামী দিনের অনুপ্রেরণা, ভালো লাগা, ভালোবাসা। ছোট ছোট শিশুর মধ্যেই আমরা আগামী দিনের প্রতিনিধি খুঁজে পাচ্ছি। একদিন হয়তো আমরা থাকব না। কিন্তু তাদের মধ্য দিয়েই আব্বাসউদ্দীন আহমেদ যুগের পর যুগ বেঁচে থাকবেন।’ ইন্দ্র মোহন রাজবংশী বলেন, ‘একজন আব্বাসউদ্দীন আহমেদের জন্ম না হলে আবদুল আলিমের উত্থান হতো না; ঠিক তেমনি আমাদেরও জন্ম হতো না। তাই একজন আব্বাসউদ্দীন আহমেদকে আমাদের বুকের মধ্যে লালন করতে হবে।’ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন সাদিয়া আফরিন মল্লিক, ড. নাশিদ কামাল, সংগীত পরিচালক ওস্তাদ ওমর ফারুক। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সংগীতশিল্পী রুমানা ইসলাম, মেহরিন, দিঠি আনোয়ার, সংবাদ পাঠিকা শামীম আরা মুন্নীসহ আরো অনেকে। আলোচনা পর্ব শেষে একাডেমির শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সংগীত পরিবেশন করেন মুস্তাফা জামান আব্বাসী এবং একাডেমির শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads