• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭
ads

শোবিজ

নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে সেলিম আল দীন প্রয়াণ দিবস

  • সালেহীন বাবু
  • প্রকাশিত ১৪ জানুয়ারি ২০২০

সেলিম আল দীনের ‘সৃজন-আভায় নবরূপে দেয় দর্শন’ স্লোগানে নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ১২তম প্রয়াণবার্ষিকী স্মরণে শুরু হচ্ছে ‘নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব ২০২০’। নাট্য সংগঠন স্বপ্নদলের আয়োজনে আজ মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী এ উৎসব। নাট্যাচার্যকে নিয়ে স্বপ্নদলের নিয়মিত উৎসবের ২১তম এ আসরে স্বপ্নদলের নাট্য প্রযোজনা ‘হরগজ’ ও ‘ত্রিংশ শতাব্দী’ মঞ্চায়ন ছাড়াও থাকছে সেমিনার, স্মরণ-শোভাযাত্রা, সমাধিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ, নাট্যাচার্যের প্রতিকৃতি সহকারে শিল্পকলাচত্বর সজ্জা প্রভৃতি। উৎসবের প্রথম দিন এক নাট্যাচার্যের প্রয়াণ দিবস সকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে স্বপ্নদলের বাসযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাত্রা এবং সাড়ে ৯টায় ক্যাম্পাসস্থ পুরাতন কলাভবন থেকে নাট্যাচার্যের সমাধিসৌধ অভিমুখে স্মরণ-শোভাযাত্রা ও পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ। এরপর সন্ধ্যা ৭টায় এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটারে থাকবে স্বপ্নদল প্রযোজনা জাহিদ রিপনের নির্দেশনায় নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন-এর কালজয়ী সৃষ্টি ‘হরগজ’-এর মঞ্চায়ন। দ্বিতীয় দিন সন্ধ্যা ৭টায় স্টুডিও থিয়েটারে রয়েছে বাদল সরকারের মূল রচনা অবলম্বনে জাহিদ রিপনের রূপান্তর ও নির্দেশনায় স্বপ্নদলের দেশ-বিদেশে প্রশংসিত যুদ্ধবিরোধী গবেষণাগার প্রযোজনা ‘ত্রিংশ শতাব্দী’র প্রদর্শনী।

উৎসবের সমাপনী দিন বিকাল ৪টায় জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে থাকছে ‘ঐতিহ্যবাহী বাঙলা নাট্যরীতি, দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব ও সেলিম আল দীনের নাট্যদর্শন’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনার। এতে মূল আলোচনা উপস্থাপন করবেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান।

মঞ্চসারথি আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন নাট্যজন ড. সোমা মুমতাজ, নাট্যজন মান্নান হীরা, নাট্যজন কামাল বায়েজীদ, নাট্যজন মাসুম রেজা, নাট্যজন সাধনা আহমেদ, নাট্যজন অপূর্ব কুমার কুণ্ডু প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেবেন স্বপ্নদলের প্রধান সম্পাদক জাহিদ রিপন।

সেলিম আল দীন স্মরণে নাসির উদ্দীন ইউসুফ বলেন, বাঙালির নব নাট্যনন্দন ভাবনার উদ্যোক্তা, বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার এবং ঢাকা থিয়েটারের স্বপ্নদ্রষ্টা সেলিম আল দীন। বাঙালিদের জাতীয় নাট্য আঙ্গিক নির্মাণের কাজ এবং নৃ-গোষ্ঠী শিল্পরীতিসমূহ অনুধাবনের ও ব্যবহারের কাজ সেলিম আল দীন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রায় সম্পন্ন করেছেন। অকালপ্রয়াত এই শিল্পপ্রতিভা আমরণ শিল্প ও মানব কল্যাণে নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছেন। রবীন্দ্র-উত্তর বাংলা নাটকের বিষয়, ভাষা ও আঙ্গিকে সেলিম আল দীন সবচেয়ে প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব। সত্তরের দশকের প্রথমার্ধে আবির্ভাবলগ্নেই তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, বাংলা নাটকের পরিচিত ও গতানুগতিক পথে হাঁটবেন না তিনি। তাই সূচনার সেলিম থেকে পরিণত সেলিম অনেক পরিবর্তিত, দশকে দশকে তিনি আবিস্কার করেছেন নাটকের নতুন নতুন পথ, কাঠামো ও চরিত্রসকল।’

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads