• বুধবার, ৩ জুন ২০২০, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads

টালিউড

সংসদের পদ হারাবেন মিমি!

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ২৫ জানুয়ারি ২০২০

সংসদ সদস্য পদ নিয়ে হুমকির মুখে পড়েছেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। একটি বেসরকারি সংস্থার বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনের জন্য নিজের ‘জনপ্রতিনিধি’ পরিচয় ব্যবহার করে এই বিপাকে পড়েছেন যাদবপুরের এই তৃণমূল সংসদ সদস্য।

জানা গেছে, ওই বিজ্ঞাপনের কারণে ‘অফিস অব প্রফিট’ আইন লঙ্ঘন হওয়ায় তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে কি না তা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। ভারতীয় আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যদের আদর্শ আচরণবিধিতে যে ‘স্বার্থের সংঘাত’ সংক্রান্ত নিয়ম রয়েছে, মিমি চক্রবর্তী তা সম্পূর্ণ লঙ্ঘন করেছেন। মিমি অবশ্য বলছেন, তিনি নিয়ম জানতেন না।

খবরে বলা হয়, যে ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেই ব্র্যান্ডের নারকেল তেলের বিজ্ঞাপন মিমি চক্রবর্তী অনেক দিন ধরেই করেন। কিন্তু ওই সংস্থা সম্প্রতি যে নতুন বিজ্ঞাপন বাজারে এনেছে, তাতে মিমি চক্রবর্তী নিজের ‘জনপ্রতিনিধি’ পরিচয় তুলে ধরেছেন।

নতুন বিজ্ঞাপনটিতে মিমি ছাড়াও রয়েছেন বিদ্যা বালান। বিজ্ঞাপনটিতে দেখা গেছে, একটি আয়নার সামনে বসে চুল বাঁধছেন মিমি আর পেছন থেকে হেঁটে আসছেন বিদ্যা। মিমিকে তিনি প্রশ্ন করছেন, ‘এখনো চুল নিয়ে পড়ে?’ জবাবে মিমি বলছেন, ‘আমি এখন জনপ্রতিনিধি। তাই তার যোগ্য হেয়ারস্টাইল।’

একটি বাণিজ্যিক ব্র্যান্ডকে ‘মান্যতা’ পাইয়ে দিতে নিজের ‘জনপ্রতিনিধি’ পরিচয়কে ব্যবহার করছেন কোনো সংসদ সদস্যের এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বর্তমান ও সাবেক সংসদ সদস্যরা। কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী অরুণাভ ঘোষ বলেছেন, ‘কোনো সংসদ সদস্য এটা করতে পারেন না। “জনপ্রতিনিধি” পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে কেউ এভাবে পয়সা রোজগার করতে পারেন না।’

তবে ‘অফিস অব প্রফিট’ আইনের আওতায় এই বিষয়টা পড়ছে না বলে তার মত। সংসদ সদস্য বা বিধায়ক হওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকারের অধীনস্ত কোনো পদ নিয়ে কেউ যদি আর্থিকভাবে লাভবান হন, তা হলে সেই পদ ‘অফিস অব প্রফিট’-এর আওতায় পড়ে ব্যাখ্যা অরুণাভের। মিমি চক্রবর্তীর ক্ষেত্রে তেমন ঘটেনি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads