• মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

ছবি : সংগৃহীত

টেলিযোগাযোগ

সরকারি তথ্য ও সেবা প্রদানে চালু হলো কলসেন্টার ‘৩৩৩’

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৫ এপ্রিল ২০১৮

প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি তথ্য ও সেবা জনগণের কাছে আরো সহজে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে চালু হয়েছে কলসেন্টার ৩৩৩। এর মাধ্যমে একজন নাগরিক খুব সহজেই ৩৩৩ নম্বরে কল করে জানতে পারবেন প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ কলসেন্টার সেবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এনএম জিয়াউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব জনাব সাজ্জাদুল হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারি সেবা যেন প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষও সহজে পেতে পারে। সে লক্ষ্যে আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছি, থ্রিজি ও ফোরজি চালু করেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকারি সেবা পাওয়ার জন্য দেশের মানুষকে আর সরকারি অফিসে দৌড়াতে হবে না। সেবাই তাদের হাতের মুঠোয় চলে যাবে।’ ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের উদ্যোগে চালু হওয়া এ কলসেন্টারে দেশের সকল নাগরিক ৩৩৩ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা ০৯৬৬৬৭৮৯৩৩৩ নম্বরে কল করে সরকারি সেবা প্রাপ্তির পদ্ধতি, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য, বিভিন্ন এলাকার পর্যটনের স্থানসমূহ এবং বিভিন্ন জেলা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

এ ছাড়াও কল সেন্টারের মাধ্যমে নাগরিকরা বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে প্রতিকারের জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে তথ্য প্রদান ও অভিযোগ জানাতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে ৬৪ জেলায় কলসেন্টারটির সেবা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছিল এটুআই। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের আওতায় এই কল সেন্টারের মাধ্যমে ২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখের বেশি নাগরিককে বিভিন্ন ধরনের তথ্য ও সেবা প্রদান করা হয়েছে।

ভবিষ্যতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সেবা এ কল সেন্টারে যুক্ত করা হবে বলেও জানিয়েছে এটুআই। এ ছাড়া ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তাদেরকেও এই কল সেন্টারে যুক্ত করা হবে। এসএমএস, আইভিআর, ইউএসএসডি কোড ভিত্তিক সেবা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও লাইভ চ্যাট এ কল সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে এটুআইয়ের।

এ কল সেন্টারটি পরিচালনায় কারিগরি সহায়তা প্রদান করেছে বেসরকারি মোবাইল অপারেটর কোম্পানি রবি এবং বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ক্ষমতার কল সেন্টার কোম্পানি জেনেক্স।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads