• রবিবার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৫
ads
 বাড়ল জিপির কলরেট

ছবি :সংগৃহীত

টেলিযোগাযোগ

বাড়ল জিপির কলরেট

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০১ জুন ২০১৯

এসএমপির বিধিনিষেধের কারণে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের কলরেট বাড়ানো হয়েছে। নতুন কলরেট অনুযায়ী সর্বনিম্ন কলরেটে আরো ৫ পয়সা যোগ হয়েছে গ্রামীণফোনের ক্ষেত্রে। অর্থাৎ আগে যেখানে গ্রামীণফোন ব্যবহার করে সর্বনিম্ন ৪৫ পয়সায় কথা বলতে পারতেন গ্রাহকরা, এখন তা হয়ে যাচ্ছে ৫০ পয়সা।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন মঙ্গলবার এক বৈঠকে ওই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। কলরেট বাড়ানোর বিষয়টি দেশের বৃহত্তম অপারেটরটিকে চিঠির মাধ্যমে জানাবে কমিশন।

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল বিটিআরসিতে এক বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর সভাপতিত্বে ওই সভায় এসএমপির কারণে গ্রামীণফোনের কলরেট বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।

কলরেটের পাশাপাশি গ্রামীণফোনের ইন্টার কানেকশন বা আন্তঃসংযোগ চার্জও বাড়ানো হয়েছে।

আন্তঃসংযোগ চার্জ মূলত যখন কোন অপারেটর থেকে অন্য কোনো অপারেটরে কল করা হবে, তখন যে অপারেটরে কল যাবে তারা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পায়। সেই চার্জেও এখন নতুন করে ৫ পয়সা যুক্ত হচ্ছে। কিন্তু গ্রামীণফোনে অন্য অপারেটর থেকে আসা কলের ক্ষেত্রে আন্তঃসংযোগ চার্জ আগেরটাই বহাল থাকছে।

এসব ছাড়াও অপারেটরটির কোয়ালিটি অব সার্ভিস নিয়ে বাড়তি কড়া নজর রাখা হবে। একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত যদি সেবার মান সন্তোষজনক না হয় তাহলে নতুন গ্রাহক বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞাও আসতে পারে।

কমিশনের ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হকসহ সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে গত ১৯ মার্চ আগের বিধিনিষেধ বাতিল করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তখন বিধিনিষেধ-সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে প্রক্রিয়াটি নতুন করে শুরু করে কমিশন।

গ্রামীণফোনকে গত ফেব্রুয়ারিতে এসএমপি অপারেটর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর চারটি বিধিনিষেধ আরোপ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে ওই সময় শর্ত আরোপের ক্ষেত্রে পরিপূর্ণভাবে বিধি না মানার কারণে আগের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে নতুন করে প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়।

এ প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিল এসএমপি ঘোষিত অপারেটরকে তাদের ওপর আরোপ হতে চলা বিধিনিষেধ সম্পর্কে অবহিত করে মতামত জানতে চাওয়া।

গত ১৯ মার্চ বিটিআরসি ১৫ দিনের সময় দিয়ে গ্রামীণফোনের কাছে মতামত চায়। অপারেটরটি তাদের মতামত জানায়।

এর আগে গ্রামীণফোনের ওপর আরোপ করতে ২০টি বিধিনিষেধের একটি তালিকা করা হয়। তার মধ্যে থেকেই চারটি শর্ত অপারেটরটির ওপর কার্যকর করার কথা বলা হয়।

চারটি শর্তের মধ্যে ছিল- এমএনপিতে আসা গ্রাহক আটকে রাখার সীমা কমানো, করপোরেট সেবার ক্ষেত্রে এক্সক্লুসিভিটি বা একক অধিকার না রাখতে দেওয়া, কলড্রপের হার কমিয়ে দেওয়া, নিজেদের সেবার প্রচার-প্রচারণায় বন্ধ রাখা।

এরপর বিষয়টি নিয়ে গ্রামীণফোন উচ্চ আদালতে গেলে তারা স্থগিতাদেশ পেয়ে যায়। একই সঙ্গে হাইকোর্ট পুরো প্রক্রিয়াটিকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চায় বিটিআরসির কাছে।

আইনি প্রক্রিয়া মোকাবেলার পাশাপাশি আগেরবার পুরোপুরি বিধি অনুসরণ না করায় নতুন করে প্রক্রিয়া শুরু করতে হয় কমিশনকে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads