• বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads

অ্যান্ড্রু ম্যাকেবি

যুক্তরাষ্ট্র

এফবিআইয়ের উপপরিচালক বরখাস্ত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ১৭ মার্চ ২০১৮

অবসরে যাওয়ার মাত্র একদিন আগে বরখাস্ত হলেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের সাবেক উপপরিচালক অ্যান্ড্রু ম্যাকেবি। বরখাস্ত হওয়ার সময় ছুটিতে ছিলেন ম্যাকেবি এবং চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিজে থেকেই উপপরিচালকের পদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন এ কর্মকর্তা।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যাকেবি অর্থের বিনিময়ে হিলারির ইমেন্ট অ্যাকাউন্ট থেকে ৩৩ হাজার ইমেইল সরিয়ে ফেলেছেন এবং ক্লিটনের কাছ থেকে সাত লাখ ডলার ঘুষ নিয়ে গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হিলারির পক্ষে কাজ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। পেনশন সুবিধাসহ অবসরের সুযোগ পাওয়ার অপেক্ষা থাকা এ এফবিআই কর্মকর্তা তার ৫০তম জন্মদিনের মাত্র দুই দিন আগে শুক্রবার বরখাস্ত হওয়ার খবর পেলেন।

জেফ সেসন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইন্সপেক্টর জেনারেলের তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে আমি অ্যান্ড্রু ম্যাকেবিকে বরখাস্ত করার রায় জানালাম যা এই মূহুর্ত থেকেই কার্যকর হবে। এফবিআই এমন এক যায়গা যেখানে সংশ্লিষ্ট সবার সর্বোচ্চ পর্যায়ের সততার সঙ্গে কাজ করা উচিত। ম্যাকেবি মিডিয়াতে বেশ কিছু দায়িত্বহীন মন্তব্য করেছেন যা তার এখতিয়ারের বাইরে।’

বরখাস্তের ঘটনায় মুখ খুলেছেন ম্যাকেবি। নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমাকে অসৎ বলা হচ্ছে। যা একদম ভুল। বরং আমি ট্রাম্প সরকারের সঙ্গে এফবিআইয়ের চলমান যুদ্ধের শিকার।’ তিনি এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক জেমস কোমির চাকরিচ্যুতের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমিও তার মতোই ট্রাম্প সরকারের আক্রোশের শিকার। গত বছর এফবিআই প্রধান জেমস কোমিকে বরখাস্তের পর নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ও নানান ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হওয়ার কারণেই আমাকে এভাবে হেয় করা হল।’

কিন্তু রিপাবলিকান শিবিরের ভাষ্যমতে, এটা আইন বিভাগের বিষয়। এখানে সরকার কোনভাবেই সম্পৃক্ত নয়। অন্যদিকে, এ ব্যাপারে টুইট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই টুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের জন্য এবং কঠোর পরিশ্রম করা এফবিআইয়ে সব কর্মকর্তাদের জন্য এটি একটি বিশেষ দিন।’

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads