• শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৫
ads
৪৭ বছরের রেকর্ড ভাঙতে পারে তাপমাত্রা

৪৭ বছরের রেকর্ড ভাঙতে পারে তাপমাত্রা

প্রতীকী ছবি

আবহাওয়া

৪৭ বছরের রেকর্ড ভাঙতে পারে তাপমাত্রা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ৩০ এপ্রিল ২০১৯

তীব্র দাবদাহের কবলে পড়েছে দেশ। গতকাল সোমবার রাজশাহীতে থার্মোমিটারের পারদ চড়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রাও ওঠে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে। আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এখন পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড।

তবে এবার তাপমাত্রা যেভাবে বাড়ছে তাতে রাজশাহীর এবার ৪৭ বছরের রেকর্ড ভেঙে যাবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, আগামী মে মাসেও দুটি তীব্র ও ২ থেকে ৩টি মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

২০০৫ সালের ১২ জুন রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর ২০১৪ সালের ২১ মে ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২০১৬ সালের ২৯ এপ্রিল ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

শুধু রাজশাহী নয়, গত কয়েকদিন ধরেই খুলনা, যশোর, পটুয়াখালী, ভোলা, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজশাহী, পাবনা ও সৈয়দপুর অঞ্চলসহ চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট বিভাগের উপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

আবহাওয়াবিদরা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা থাকলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলেন। আর ৩৮ থেকে ৪০ এর মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৪০ ছাড়িয়ে গেলে তীব্র তাপপ্রবাহ বলেন।

তীব্র এই তাপপ্রবাহে যেন প্রকৃতির বুকে আগুন ঢালছে সূর্য। মাঝে মাঝে মেঘে ঢাকা পড়লেও তাপপ্রাহে নেই কোনো পরিবর্তন। এদিকে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ফণী না আরো ঘনীভূত হওয়ায় বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় গরম অনুভূত হচ্ছে বেশি।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণীর বাংলাদেশে আঘাত হানার সম্ভাবনা তেমন নেই। তবে উড়িয়ে দেওয়াও যাবে না। ফণী যেভাবে এগিয়ে আসছে, তাতে এটি যদি বাংলাদেশের উপকূলে আসে, তবে সেটি হবে ৪ মে রাত অথবা ৫ মে’র দিন। আর ভারতের উপকূলে আঘাত হানলে আরো একদিন আগেই আঘাত হানবে। এক্ষেত্রে ৩ মে পর্যন্ত বর্তমানে যে তাপমাত্রা আছে এমনই থাকবে।

এ সময় রাতের তাপমাত্রাও কমবে না বলে মনে করছেন তিনি। বলেন, রাতের বায়ুর তাপ ও জলীয় বাষ্পের তাপের তারতম্যের কারণে গরম অনুভূত হচ্ছে বেশি। রাতে জলীয় বাষ্প বেড়ে যাচ্ছে। জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হলে শরীরের ঘাম বায়ু শুষে নিতে পারে না। এজন্যই বেশি গরম লাগে।

ঘূর্ণিঝড় উপকূলের কাছাকাছি না আসা পর্যন্ত দেশজুড়ে কালবৈশাখীর তেমন সম্ভাবনা নেই। কোথাও কোথাও ঝড়, বৃষ্টি হবে তবে সেটা বড় আকারে নয়।

ওমর ফারুক বলেন, রোববার যেমন ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে কালবৈশাখী হয়েছে। এমন করেই আগামী কয়েকদিন কোথাও কোথাও ঝড় বৃষ্টি হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads