• শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads
মোংলা ও পায়রায় ৭ চট্টগ্রামে ৬ নম্বর সংকেত, জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

ছবি : সংগৃহীত

আবহাওয়া

মোংলা ও পায়রায় ৭ চট্টগ্রামে ৬ নম্বর সংকেত, জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ০২ মে ২০১৯

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ শক্তিশালী আকার ধারণ করায় মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর ও চট্টগ্রামে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘূর্ণিঝড়টি শুক্রবার বিকাল নাগাদ আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (০২ মে) আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামছুদ্দিন আহমদ ফণী নিয়ে বিফ্রিং করেন।

এ সময় তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণী পশ্চিম-মধ্য মোংলায় অবস্থান করছিল, সেখান থেকে এখন উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়েছে। বর্তমানে মোংলা থেকে ৯২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে। চারিদিকে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রবাহিত হচ্ছে এ কারণে ভারতীয় উপকূল অতিক্রম করার পরও বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা আছে ফণীর। এছাড়া উপকূল অতিক্রম না করলেও বাংলাদেশে আসবে। যেকোনো ভাবেই হোক ফণী বাংলাদেশে আসবেই। মূলত খুলনা অঞ্চল দিয়েই এই ঝড় আসবে, তাই খুলনা ও পায়রা বন্দরকে ৪ হুঁশিয়ারি সংকেত থেকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জানানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এর পাশাপাশি ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চর এলাকায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত থাকবে। এছাড়া চট্টগ্রামকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী ও চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চর এলাকায় ৬ নম্বর  বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। কক্সবাজারকে এখনও ৪ নাম্বার সংকেতই দেখানোর কথা বলা হয়েছে।

শামছুদ্দিন আহমদ বলেন, এছাড়া উপরোক্ত জায়গায় স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তার থেকে ৫ ফিট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ঘন্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে দমকা ও ঝড় হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এছাড়া ৩ মে সন্ধ্যায় মূল আঘাত হানতে পারে। এছাড়া এরা পরিবর্তনশীল।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads