• বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২০, ২১ শ্রাবণ ১৪২৭
ads
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

সংগৃহীত ছবি

আবহাওয়া

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯

দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শীতের তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। তবে এবারে পঞ্চগড়ে বৈচিত্রপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে।

সকালে সূর্য উদয়ের পর থেকে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। বেলা শেষে বিকাল থেকে ভোর পর্যন্ত বেশ শীত অনুভূত হয়। তাপমাত্রা একেবারে কমে যায়।খবর ইউএনবির।

অন্যদিকে সকাল ৯টার পর থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ঝলমলে রোদের কারণে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে তেঁতুলিয়ায়। রোববার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। গত শনিবার এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শেষ বিকাল থেকে ভোর পর্যন্ত হিমালয়ের হিমেল বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় কুয়াশা পড়ছে। রাতভর চলে কুয়াশাপাত। লেপ ও কম্বল ছাড়া ঘুমানো যায় না। রাতে রাস্তাঘাটে নিরবতা নেমে আসছে। কুয়াশার জন্য যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বিকাল থেকে ভোর পর্যন্ত নিম্ন আয়ের মানুষদের শীত নিবারণ করতে কষ্ট হচ্ছে। অনেকেই রাতে ও ভোরে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। শীতের প্রকোপ বাড়তে শুরু করায় জেলার হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগী ভর্তি শুরু হয়েছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম রহিদ জানান, পঞ্চগড়ে দিন দিন শীতের প্রকোপ বাড়ছে। তাপমাত্রা ক্রমেই কমে আসছে। ঘন কুয়াশা না থাকায় বিকাল থেকে ভোর পর্যন্ত হিমালয়ের হিম বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে এ সময়টাতে তাপমাত্রা একেবারে কমে যাচ্ছে।

চলতি ডিসেম্বরের মধ্যে দুই একটি মৃদু ও মাঝারি ধরনের শৈত্য প্রবাহের পূর্বাভাস রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মো. সিরাজ-উ-দ্দৌলা পলিন জানান, দেশের অন্য স্থানের তুলনায় পঞ্চগড়ের শীতের প্রকোপ একটু বেশিই থাকে। এবারও এর ব্যতিক্রম নয়। শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ডায়েরিয়া, নিউমোনিয়া, কাঁশি ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে রোগীরা। আক্রান্তদের বেশির ভাগই শিশু ও বৃদ্ধ।

আপাতত রোগী ভর্তি তেমন নেই। তবে প্রতিদিন হাসপাতালের বহির্বিভাগে শতাধিক শীত ও শীতজনিত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। মেডিসিন ও শিশু বিশেষজ্ঞ না থাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন জানান, দরিদ্র শীতার্তদের জন্য ইতোমধ্যে ২৮ হাজার শীতবস্ত্র জেলার পাঁচ উপজেলায় পাঠানো হয়েছে। কাজী ফার্মস নামে একটি প্রতিষ্ঠান আরও ৩শ’ কম্বল দিয়েছে। সেগুলোও ইউএনওদের কাছে পাঠানো হবে। ‘আমরা শীতার্তদের জন্য আরও বরাদ্দ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছি। আশা করছি খুব দ্রুত বরাদ্দ পাওয়া যাবে,’ বলেন তিনি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads