• বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads

অ্যানা ক্যাম্বেল

বিদেশ

সিরিয়ায় নিহত প্রথম ব্রিটিশ নারী যোদ্ধা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ২০ মার্চ ২০১৮

ব্রিটেনের প্রথম নারী যোদ্ধা হিসেবে সিরিয়ার আফরিনে প্রাণ হারিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী অ্যানা ক্যাম্বেল। কুর্দিদের পক্ষে লড়াইয়ে প্রাণ হারান তিনি। তুরস্কের সেনাবাহিনীর ছোঁড়া রকেট একটি কনভয়ে আঘাত হানে। ওই কনভয়ে ছিলেন অ্যানা। গত জানুয়ারি থেকে তুর্কি বাহিনী সিরীয় ভূখণ্ডে ঢুকে কুর্দিদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

আনার বাবা ডিক ক্যাম্বেল বিবিসিকে জানান, তার মেয়ে কুর্দি নারী বাহিনী ওয়াইপিজেতে স্বেচ্ছায় যোগ দিয়ে লড়াই করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘অ্যানা ছিল খুবই আদর্শবাদী ও দৃঢ়চেতা। সে একটি সুন্দর পৃথিবী গড়তে চেয়েছিল। সেই লক্ষ্যে সে তার সামর্থের মধ্যে সবটুকু করেছে।’ অ্যানা গত ১৫ মার্চ নিহত হয়েছেন বলে জানান তিনি।

অ্যানা ক্যাম্বেল ২০১৭ সালের মে মাসে সিরিয়ায় যান এবং ওয়াইপিজেতে যোগদান করেন। শুধু নারী যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত ওয়াইপিজে সে সময় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াই করছিল।

সিরিয়ায় যাওয়ার ঝুঁকি সম্পর্কে ব্রিটেনের পুলিশ এর আগে বার বার তার দেশের নাগরিকদের সতর্ক করেছে। তারা বলেছে, যেকোনো পক্ষের হয়ে লড়াই করার জন্য সিরিয়ায় গেলে তার বিচার করা হবে। কিন্তু সেই সতর্কবার্তায় কর্ণপাত করেননি অ্যানা।

বিবিসি জানতে পেরেছে, আনা ক্যাম্বেল ওয়াইপিজের হয়ে দেইর এজ-জোরে আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। আইএসয়ের দখলে থাকা সর্বশেষ ঘাঁটিগুলোর মধ্যে দেইর এজ-জোর একটি। কিন্তু গত জানুয়ারিতে তুরস্ক কুর্দি বাহিনীগুলোর বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান শুরু করে। এরপর থেকে কুর্দি যোদ্ধারা আইএসয়ের বিরুদ্ধে লড়াই বন্ধ রাখে এবং আফরিনে পিছু হটে। এসময় কিছু ব্রিটিশ স্বেচ্ছাসেবী যোদ্ধাও তাদের সঙ্গে যোগ দেয়।

ক্যাম্বেল বিবিসিকে জানিয়েছেন, সহযোদ্ধারা অ্যানাকে আফরিনে যেতে বারণ করেছিলেন। তাকে বলা হয়েছিল সোনালি চুল আর নীল চোখের কারণে তাকে সহজেই বিদেশি যোদ্ধা হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে। এজন্য অ্যানা তার চুলের রঙ বদলে কালো করে ফেলেছিলেন বলে তিনি বলেন।

তুরস্ক ওয়াইপিজেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত কুর্দি দল পিকেকে’র একটি শাখা বলে বিবেচনা করে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads