• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

বিদেশ

কাতারকে ৩০ কোটি ডলারের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ১১ এপ্রিল ২০১৮

কাতারের কাছে ৩০ কোটি ডলার মূল্যের ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করছে যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টি অনুমোদন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর। কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আল-থানির সঙ্গে হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্ধারিত বৈঠকের এক দিন আগে সোমবার এ ব্যাপারে সম্মতি জানানো হয়। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের সঙ্গে থানির বৈঠক হওয়ার কথা। খবর বিবিসি ও মিডল ইস্ট মনিটর। 

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর এক বিবৃতিতে জানায়, কাতারের কাছে ৫ হাজার উচ্চ বিস্ফোরণ ক্ষমতাসম্পন্ন ওয়ারহেডসহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ৫ হাজার ‘প্রিসিশন কিল উইপন সিস্টেমস’ (এপিকেডব্লিউএস) বিক্রির সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য কাতার গুরুত্বপূর্ণ একটি শক্তি। পারস্পরিক প্রতিরক্ষাজনিত স্বার্থ আমাদের সম্পর্কের হাল ধরে রেখেছে। প্রতিরক্ষা খাতে কাতারের আমিরি এয়ারফোর্স মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার। এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটি এ দেশটিতেই অবস্থিত। তবে গত বছর আরব দেশগুলোর সঙ্গে কাতারের বিরোধকে কেন্দ্র করে দোহা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক ঘোলাটে হয়। এর আগে সৌদি যুবরাজের যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় রিয়াদের কাছে ২০০ কোটি ডলারেরও বেশি মূল্যের অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে ট্রাম্প সরকার।

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের তিন সপ্তাহের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষ হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই দেশটিতে সফর শুরু করেছেন কাতারের আমির থানি। সোমবার তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিসের সঙ্গে দেখা করেন। ২০১৭ সালের ৫ জুন সন্ত্রাসবাদে সহযোগিতার অভিযোগে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিসর। যদিও কাতার বরাবরই বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের পাশাপাশি দেশটির ওপর বাণিজ্যিক অবরোধ আরোপ করে সৌদি জোট। এ ঘটনার জেরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাৎক্ষণিকভাবে সৌদি আরবের পক্ষে অবস্থান নেন। একই সঙ্গে কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ ও সম্পর্কচ্ছেদের কৃতিত্ব নিজের বলে দাবি করেন তিনি। পরে দোহার বিরুদ্ধে সুর নরম করেন তিনি। সঙ্কট সমাধানে এখনো মধ্যস্থতার আগ্রহ দেখিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads