• বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads

বিদেশ

কাতার সীমান্তে পরমাণু বর্জ্য ফেলবে রিয়াদ-দুবাই

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ১১ এপ্রিল ২০১৮

সৌদি সরকার কাতার সীমান্তে একটি সামুদ্রিক খাল খননের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। গোটা উপদ্বীপকে একটি দ্বীপ বানানো ছাড়াও সীমান্তবর্তী এলাকায় সামরিক অঞ্চল ও পারমাণবিক বর্জ্য নিষ্কাশন সাইট বানানোরও পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত মিডিয়া।

তবে এই পরিকল্পনা এখনো সৌদি সরকারের অনুমোদন পায়নি। কারণ গত দশ মাস ধরে কাতারের ওপর সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর এবং বাহরাইন যে অবরোধ জারি করে রেখেছে সেই ইস্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এই চারটি দেশ কাতারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদতের অভিযোগ এনে ওই অবরোধ জারি করেছিল। ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল কাতার- এমন অভিযোগও আনা হয়। যদিও শুরু থেকেই কাতার এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

সৌদি আরবের সাবক পত্রিকার রিপোর্টে বলা হয়, সৌদি আরব কাতারের সঙ্গে থাকা সীমান্তের একাংশে একটি সামরিক ঘাঁটি ও অন্য অংশে একটি পারমাণবিক বর্জ্য নিষ্কাশন সাইট বানাতে চাইছে। কারণ সৌদি আরব খুব জলদিই একটি পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর তৈরি করতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতও কাতার সীমান্তে একটি পারমাণবিক বর্জ্য নিষ্কাশন সাইট বানাবে এমনটিও জানা যায়।

কাতার সীমান্তে সামুদ্রিক খাল খননের জন্য মাত্র এক বছর সময় লাগবে বলেও সাবক পত্রিকায় বলা হয়। সৌদি এবং আরব আমিরাতের ব্যবসায়ীদের অর্থায়নে সালওয়া মেরিন ক্যানেল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। আর এই কাজে সহায়তা করবে মিসরের কিছু কোম্পানি। এই ক্যানেল প্রকল্পের আওতায় বেশ কয়েকটি রিসোর্ট, ব্যক্তিগত বিচ এবং গলফ ক্রুজ লাইনার থাকবে। ২০০ মিটার চওড়া এবং ২০ মিটার গভীর এই খাল খননে ব্যয় হবে প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন ডলার।

এ প্রসঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এক টুইটবার্তায় বলেন, ‘সমস্যা সমাধানে কাতারের ব্যর্থতা প্রমাণ করে এই প্রকল্প।’ তবে এখন পর্যন্ত কাতার সরকার এই প্রকল্প নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads