• শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৪ ফাল্গুন ১৪২৪
ads
১২ জুন বৈঠকের সুযোগ এখনো আছে : ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উন

ইন্টারনেট

বিদেশ

১২ জুন বৈঠকের সুযোগ এখনো আছে : ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ২৭ মে ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে ১২ জুনের বৈঠকটি হওয়ার সুযোগ এখনো আছে। গত শুক্রবার এক টুইটে তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরে কিমের সঙ্গে যে শীর্ষ বৈঠক হওয়ার কথা ছিল তা হয়তো হতেও পারে। আমরা দেখছি কী হয়। এদিকে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার নেতারা আবারো সীমান্তে অসামরিকীকরণ এলাকায় বৈঠক করেছেন। এ নিয়ে এক মাসের মধ্যে দুই কোরীয় নেতার এটি দ্বিতীয় বৈঠক।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার ঐতিহাসিক বৈঠক নিয়ে চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কিম ও মুনের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানায়, সীমান্তবর্তী পানমুনজমে গতকাল শনিবার বিকালে এ বৈঠক হয়।

ট্রাম্প বলেন, ১২ জুন কিংবা প্রয়োজনে তার পরেও এ বৈঠক হতে পারে। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলছি। উত্তর কোরিয়া বৈঠক করতে আগ্রহী, আর আমরাও এটি করতে চাই। কিমের সাম্প্রতিক বক্তব্যে তীব্র ক্ষোভ ও শত্রুতার বহির্প্রকাশ হয়েছে অভিযোগে বৈঠকটি বাতিল করার একদিন পরই ট্রাম্প আবারো তা অনুষ্ঠিত হওয়ার আশা জাগালেন। গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বৈঠকটি বাতিল ঘোষণা করেন। এর পর পরই উত্তর কোরিয়া সংহতির সুরে বলে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সময় কথা বলতে প্রস্তুত।

উত্তর কোরিয়ার এ সম্প্রীতিমূলক বিবৃতিকে স্বাগত জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, তারা খুবই চমৎকার বিবৃতি দিয়েছে। আমরা বৈঠকের বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করব। কী করা যায় তা নিয়ে আমরা উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কথা বলছি। তারা বৈঠক করতে খুবই ইচ্ছুক। আমরাও চাই বৈঠকটি হোক।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিম কাই-গোয়ান বলেন, ট্রাম্পের শীর্ষ বৈঠক বাতিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত দুঃখজনক। যদিও এদিন উত্তর কোরিয়া তার পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পুঙ্গিরি পারমাণবিক পরীক্ষাকেন্দ্র ধ্বংস করে ফেলে। এ ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ট্রাম্প-কিম শীর্ষ বৈঠকের ব্যাপারে কিছু ভালো খবর পেয়েছি।

আমাদের কূটনীতিকরা যদি এ বিষয়ে অগ্রগতি অর্জন করতে পারেন তাহলে হয়তো বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, শীর্ষ বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সম্ভাব্য পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা করতে রাজি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা নিরস্ত্রীকরণের ব্যাপারে লিবিয়ার দৃষ্টান্ত দিয়ে কথা বলায় ক্ষিপ্ত হয় উত্তর কোরিয়া। সে সময় পিয়ংইয়ং বলেছিল, তারা একটি পূর্ণ পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। তাদের সঙ্গে লিবিয়ার তুলনা করা ঠিক নয়। তাদের নেতৃত্ব বা রাষ্ট্র বিপন্ন হতে পারে এমন কোনো শান্তি প্রক্রিয়ায় তারা জড়িত হতে চায় না।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads