• বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
ads
বাবা-মাকে চিনতে পারছে না সন্তান

বাবা-মাকে চিনতে পারছে না সন্তান

সংগৃহীত ছবি

বিদেশ

বাবা-মাকে চিনতে পারছে না সন্তান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ২৩ জুলাই ২০১৮

ওর প্রথম হাঁটতে শেখা আমি দেখিনি; প্রথম জন্মদিনও ফিরে আসবে না। বাচ্চারা বড় হলে মায়েরা যে গল্পগুলো তাদের সন্তানদের কাছে বলে, সেগুলোর কিছুই আমার কাছে নেই। ওহ, এটা যে কী কষ্টের! ১৫ মাসের সন্তানকে কোলে নিয়ে চোখের পানি মুছতে মুছতে কথাগুলো বলেন আডালিকা মন্তেসিওনস।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির কারণে মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকা আরো অনেক অভিবাসী পরিবারের মতো একে অন্যের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে মন্তেসিওনস পরিবার। টেক্সাস সীমান্ত থেকে তাদের ১০ মাসের বাচ্চাকেও আলাদা আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।

এরপর গত শুক্রবার হুন্ডুরাস কাউন্টিতে পাঁচ মাস পর মা আডালিকা ও বাবা রোনাল্ডো মন্তেসিওনসের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাদের সন্তান জনকে। কিন্তু এতদিন পর তাদের দেখে চিনতে না পেরে চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে জন। এ সময় গার্ডিয়ানের কাছে কাঁদতে কাঁদতে আডালিকা বলেন, আমি জন জন করে ডাকছি, কিন্তু ও চিৎকার করে কাঁদছে। কাছে আসতে চাচ্ছে না; মনে হচ্ছে আমাদের ওপর রেগে আছে।

ট্রাম্প প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ অভিবাসী নীতি বাস্তবায়ন শুরু করলে অন্তত ২ হাজার ৩০০-এর বেশি শিশু তাদের মা-বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। প্রাপ্তবয়স্ক যারা আশ্রয়ের আশায় যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তাদের অনেককেই কারাগারে রাখা হয়েছে। শিশুদের ডিটেনশন সেন্টার, ওয়্যারহাউজ ও সুপারমার্কেটে রাখা হয়। তবে আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে গত জুন মাসে অভিবাসী নীতি সাময়িক শিথিল করে বাচ্চাদের তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে মার্কিন সরকার।

গার্ডিয়ান থেকে আরিফা সুলতানা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads