• রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
কফি আনানের জীবনাবসান

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের জীবনাবসান

ছবি : ইন্টারনেট

বিদেশ

কফি আনানের জীবনাবসান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ১৯ আগস্ট ২০১৮

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের জীবনাবসান ঘটেছে। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। আনান ফ্যামিলি এবং কফি আনান ফাউন্ডেশন থেকে গতকাল শনিবার এক টুইটে বিশ্ববরেণ্য এ নেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এদিকে তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

আনান ফাউন্ডেশনের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহরের একটি হাসপাতালে শনিবার সকালে মারা যান তিনি। সংস্থাটির টুইটে বলা হয়, আনান ফ্যামিলি ও কফি আনান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব ও নোবেল পুরস্কারজয়ী কফি আনান আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।

১৯৩৮ সালে ঘানায় জন্ম নেওয়া কফি আনান জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন। প্রথম আফ্রিকান কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে প্রতিষ্ঠানটির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। কর্মী হিসেবে জাতিসংঘে যোগ দিয়ে তিনিই প্রথম সংস্থাটির শীর্ষ পদে আসীন হয়েছিলেন। জাতিসংঘ অভিবাসন সংস্থা টুইটারে লিখেছে, আজ আমরা এক মহৎ প্রাণ, নেতা ও স্বপ্নদর্শী মানুষ জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানকে হারানোয় শোকাচ্ছন্ন।

২০০৭ সালে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা বৈশ্বিক নেতাদের গ্রুপ দ্য এলডারস’র প্রতিষ্ঠা হলে এর সদস্য হন কফি আনান। ২০১৩ সালে ওই গ্রুপের চেয়ারম্যান হন তিনি। ২০০১ সালে জাতিসংঘ এবং কফি আনান যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। ২০০৬ সালে মহাসচিবের দায়িত্ব ছাড়ার পর সিরিয়া সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজতে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

এদিকে এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কফি আনানের ভূমিকা বিশ্ববাসী চিরদিন স্মরণ করবে। আরেক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কফি আনানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় তার অবদানের কথা স্মরণ করেন। তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads