• মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫
ads
জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার

রাখাইনে গণহত্যার জন্য মিয়ানমারের জেনারেলদের বিচারের মুখোমুখি করার মতো যথেষ্ট তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান মিশন।

ছবি: স্কাইনিউজ

বিদেশ

জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ২৯ আগস্ট ২০১৮

রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যায় দায়ে মিয়ানমারের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার। দেশটির সরকারের একজন মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন বলে এএফপির খবরে বলা হয়।

জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রকাশের পর মিয়ানমারের পক্ষ থেকে এটি প্রথম প্রতিক্রিয়া।

সোমবার জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধানী মিশন তার প্রতিবেদনে জানায়, মিয়ানমারে ব্যাপক মাত্রায় গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হওয়ার প্রমাণ পেয়েছে তারা। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানের উদ্দেশ্যই ছিল গণহত্যা। এ জন্য মিয়ানমারের সেনারা সেখানে রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে হত্যা ও ধর্ষণ করেছে। ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি সদস্যরাষ্ট্র মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের আন্তর্জাতিক বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানায়। এছাড়াও প্রতিবেদনে আরো বলা হয় মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি গণহত্যা নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থ হয়েছেন

এদিকে, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে উল্লেখ করে সরকারি মুখপাত্র বলেন, মিয়ানমার স্বাধীন তদন্ত কমিশন নিয়ে কাজ করছে। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যেসব মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে এই কমিশন সেগুলো খণ্ডন করবে।

২০ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাখাইনে গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের জেনারেলদের তদন্ত করে ‘যথাযোগ্য’ আদালতে তাঁদের বিচারের মুখোমুখি করার মতো যথেষ্ট তথ্য পেয়েছে তথ্যানুসন্ধানী মিশন। রাখাইনে যে ধরনের অপরাধ হয়েছে, আর যেভাবে তা ঘটানো হয়েছে, সেগুলোর মাত্রা, ধরন এবং বিস্তৃতির দিক দিয়ে ‘গণহত্যার উদ্দেশ্যকে’ অন্য কিছু হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টার সমতুল্য।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর বেশ কিছু চৌকিতে সন্ত্রাসী সংগঠন আরসার হামলার পর রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তাণ্ডব শুরু হয়। প্রাণ বাঁচাতে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads