• সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads
ক্রাইস্টচার্চে হামলায় ৩ বাংলাদেশিসহ নিহত ৪৯

ছবি : সংগৃহীত

বিদেশ

ক্রাইস্টচার্চে হামলায় ৩ বাংলাদেশিসহ নিহত ৪৯

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১৫ মার্চ ২০১৯

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে বন্দুকধারীদের হামলায় ৩ বাংলাদেশিসহ অন্তত ৪৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা দেড়টার দিকে মসজিদে নামাজ শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যে একজন বন্দুকধারী সিজদায় থাকা মুসল্লিদের ওপর গুলি ছুড়লে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিউজিল্যান্ড সফররত বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওই সময় মসজিদে গিয়েছিল এবং ঠিক যখন হামলার ঘটনাটি ঘটে তারা মসজিদের ভেতর প্রবেশ করতে যাচ্ছিল। তবে ক্রিকেটাররা সবাই সুস্থ আছেন বলে জানানো হয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ দূতাবাসের অনারারি কনসাল শফিকুর রহমান ভুইয়া জানিয়েছেন, তিনজন বাংলাদেশির পরিচয় সম্পর্কে তারা নিশ্চিত হয়েছেন।

তিনি বলেন, নিহতদের একজন ড. আবদুস সামাদ, যিনি স্থানীয় লিঙ্কন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। ড. সামাদ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ছিলেন।

নিহত অন্যজনের পরিচয় সম্পর্কে শফিকুর রহমার বলেন, হোসনে আরা একজন গৃহবধূ ছিলেন।

রেডিও নিউজিল্যান্ড তাদের টুইটার অ্যাকাউন্টের একটি পোস্টে জানিয়েছে, ক্রাইস্টচার্চ হাসপাতালে আহত অন্তত ৪৮ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ বলেছে, ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে গোলাগুলির ঘটনায় ‘একাধিক হতাহতের’ ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত এক নারীসহ অন্তত চারজন তাদের জিম্মায় রয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডেন বলেছেন, এই ঘটনা তার দেশের ইতিহাসের অন্ধকারতম অধ্যায়গুলোর একটি।

পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত ওই এলাকার সব মসজিদ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, সন্দেহভাজনদের গাড়িতে বিস্ফোরক পাওয়া গেলেও তাদের আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা ছিল কি না তা নিশ্চিত নয়।

জাসিন্ডা আর্ডেন বলেছেন, ‘নিউজিল্যান্ডকে হামলার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে আমাদের বৈচিত্র্য, উদারতা, সহমর্মিতার জন্য। তবে আমি নিশ্চিত করতে পারি এই আক্রমণ আমাদের মূল্যবোধের পরিবর্তন করতে পারবে না।’

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন নিশ্চিত করেছেন যে আক্রমণকারীদের একজন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। আক্রমণকারীকে ‘কট্টরপন্থী সহিংস সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মরিসন।

নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড পত্রিকার খবরে বলা হচ্ছে, নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শহর অকল্যান্ডের ব্রিটোমার্ট স্টেশনে দুটি ব্যাগের ভেতরে বিস্ফোরক থাকতে পারে এ রকম সন্দেহে স্থানীয় পুলিশ এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads