• শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫
ads
নেপালে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের আহ্বান

ছবি : সংগৃহীত

বিদেশ

নেপালে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের আহ্বান

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২০ জুন ২০১৯

মাত্র এক হাজার ৪০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করছে নেপাল। অথচ ৪২ হাজার মেগাওয়াটের সক্ষমতা রয়েছে দেশটির। বাকি ৪০ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে অন্য দেশের বিনিয়োগ চাইছে দেশটি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ চাইলে এ খাতে বিনিয়োগ করতে পারে।

গতকাল বুধবার কক্সবাজারে বিদ্যুৎ আমদানি ও বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ও নেপালের যৌথ উদ্যোগে গঠিত কারিগরি কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানায় নেপাল।

এ বছরের শুরুর দিকে নেপালে অনুষ্ঠিত জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেপাল দুটি কমিটি গঠন করে। এর একটিকে উৎপাদন ও অন্যটিকে সঞ্চালন ব্যবস্থা কেমন হবে, তা নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করতে বলা হয়। জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটিতে দুই দেশের বিদ্যুৎ সচিব নেতৃত্ব দেন। সচিব পর্যায়ের এই বৈঠকের বিষয় পরে দুই দেশের সরকারের শীর্ষপর্যায়কে অবহিত করা হলে তারা এ নিয়ে আলোচনার সিদ্ধান্ত নেয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার বিকালে কক্সবাজারেই দুই দেশের সচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকে যোগ দেওয়া বাংলাদেশ অংশের এক কর্মকর্তা জানান, নেপালের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে, তাদের দেশের বিদ্যমান নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের বিনিয়োগে কোনো বাধা নেই। ইতোমধ্যে ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ নেপালের জলবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে। কেউ কেউ কেন্দ্রও নির্মাণ করছে। সুতরাং বাংলাদেশের সরকারি বা বেসরকারি খাতও নেপালে বিনিয়োগ করতে পারে।

এদিকে দেশটির জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনায় দেখা গেছে, তিন ধাপে ১০ বছরে তারা ৪২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। এর মধ্যে নেপাল ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।

পরিকল্পনায় আরো দেখা যায়, তিন বছরে নেপাল দুই হাজার মেগাওয়াট, পাঁচ বছরে তিন হাজার মেগাওয়াট এবং ১০ বছরে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। বাকি ২৭ হাজার মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে নেপাল অন্য দেশের বিনিয়োগ নেবে। এক্ষেত্রে নেপাল এবং ওই দেশকে একটি লাভজনক সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে। কেন্দ্রটির সব বিদ্যুৎ অন্য কোনো দেশ কিনে নিলে নেপাল সেখান থেকে অর্থ আয় করতে পারে। এক্ষেত্রে নেপাল চাইলে কোনো বিনিয়োগ ছাড়াও মুনাফা করতে পারে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানায়, এক ইউনিট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ এক টাকার কম। যার কারণে এই খাতে বিনিয়োগ করে পরে বিদ্যুৎ আমদানি করলে তা লাভজনকই হবে। বাংলাদেশে ডিজেলে এক ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২২ টাকা, ফার্নেস অয়েলে সমপরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১০ টাকা, গ্যাসে প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে তিন থেকে চার টাকা খরচ হয়।

কারিগরি কমিটির একজন সদস্য বলেন, আমরা বৈঠক করেছি। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে সচিব কমিটির বৈঠকে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads