• শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬
ads
‘বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা

ছবি : সংগৃহীত

বিদেশ

ইবোলা সংক্রমণ

‘বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ১৯ জুলাই ২০১৯

আফ্রিকায় ইবোলা মহামারী রূপ ধারণ করেছে। আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়ার পর এ রোগ নিয়ে ‘বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আফ্রিকার ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে প্রাণঘাতী অসুখ ইবোলার মহামারী দেখা দিয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এটি এখন একটি ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জনস্বাস্থ্য সংকট’। মধ্য আফ্রিকার উত্তরাংশে কঙ্গোর উপত্যকায় প্রবাহিত ইবোলা নদী থেকে ইবোলা ভাইরাসের নামকরণ। সর্বপ্রথম ১৯৭৬ সালে এ ভাইরাসের অস্তিত্ব আবিষ্কৃত হয়। ২০১৪-১৫ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণে ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তখন বেশি আক্রান্ত হয়েছিল গিনি, সিয়েরা লিওন ও লাইবেরিয়া। ২০১৪ সালে কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণে ৪০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। গত বছরের আগস্ট মাস থেকে কঙ্গোর উত্তর কিভু অঞ্চলে নতুন করে ইবোলার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

জেনিভাতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গিব্রাইয়াসুস এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বলেন, বিশ্ববাসীর নজর দেওয়ার সময় এসেছে।

তবে সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার ব্যাপারে এখনই কিছু বলা হয়নি। এমন সতর্কবার্তা এর আগে এ পর্যন্ত চারবার দিয়েছে সংস্থাটি। ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণে এ পর্যন্ত ১৬০০ লোকের মৃত্যু হয়েছে।

ডিআর কঙ্গোতে সম্প্রতি ইবোলা ভাইরাসের যে প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে সেটি ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ। এর শুরু ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে। দেশটির দুটি প্রদেশে প্রথম এটি দেখা দেয়। এ পর্যন্ত আড়াই হাজার ব্যক্তি এতে আক্রান্ত হয়েছেন। যাদের মধ্যে তিন ভাগের দুভাগই মারা গেছেন। প্রতিদিন ১২ জন করে নতুন রোগী পাওয়া যাচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, প্রতিবেশী দেশগুলোতে এটি ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। উগান্ডায় ইতোমধ্যে রোগটি কয়েকজনের মধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে রুয়ান্ডা, কারণ দেশটির সঙ্গে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর সীমান্তবর্তী অঞ্চল গোমাতে ইবোলা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে এখনই সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি।

সংস্থাটি জানায়, রোগটির প্রতিষেধক রয়েছে এবং সেটি ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে কার্যকর। দেড় লাখের বেশি মানুষকে সেই প্রতিষেধক দেওয়াও হয়েছে। তবে কঙ্গোর সবাইকে তা দেওয়া হয়নি। শুধু যারা কোনো ইবোলা রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন অথবা তাদের সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাদের ওই প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads