• মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৭ কার্তিক ১৪২৬
ads

বিদেশ

অস্ত্রের মুখে বিদেশি লেখা কার্ড রোহিঙ্গাদের দিচ্ছে মিয়ানমার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাগরিক হওয়ার সুযোগ কেড়ে নিয়ে মিয়ানমার সরকার অস্ত্রের মুখে বিদেশি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ পরিচয়পত্র নিতে তাদের বাধ্য করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফর্টিফাই গ্রুপ নামে একটি মানবাধিকার রক্ষা সংগঠনের বরাত দিয়ে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। 

মানবাধিকার সংগঠনটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাথিউ স্মিথ বলেন, মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড (এনভিসি) নামে এই পরিচয়পত্র বলপূর্বক গছিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করার চেষ্টায় লিপ্ত। এর আগে এই এনভিসি প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের অজুহাত দেখিয়ে রোহিঙ্গাদের চলাচলের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধও আরোপ করেছিল মিয়ানমার।

বৌদ্ধপ্রধান মিয়ানমারের সরকার রোহিঙ্গাদের প্রতিবেশী ‘বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ’ বলে তাদের নাগরিকত্ব প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের দাবি পশ্চিম মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের পূর্বপুরুষরা কয়েক শ বছর ধরে বসবাস করছেন।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বর নিপীড়নের মুখে ২০১৭ সালের আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে এ পর্যন্ত সাত লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়। এরপর রোহিঙ্গা নির্যাতনের এ ঘটনা বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে। বর্তমানে সামরিক অভিযানে না গিয়ে অন্যভাবে রোহিঙ্গাদের ওপর চাপ প্রয়োজন করছে। এনভিসি কার্ডের লাল বৃত্তের মধ্যে যা লেখা আছে, তার অর্থ হলো এই কার্ডধারী মিয়ানমারের নাগরিক নন। জোর করে পরিচয়পত্র গছানোর অভিযোগ নিয়ে মিয়ানমার সরকারের মুখপাত্র জ তাইয়ের মন্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

তবে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুন তুন নাই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কাউকে বন্দুকের মুখে বা নির্যাতনের মাধ্যমে পরিচয়পত্র নিতে বাধ্য করার বিষয়টি সত্য নয়। তাই এ নিয়ে আমার আর কিছু বলার নেই। তবে এই খবরে দুদফায় ভেস্তে যাওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের উদ্যোগে প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads