• শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ৩০ কার্তিক ১৪২৬
ads
আমেরিকার মূলধারার নির্বাচনে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ বাড়ছে

ছবি : সংগৃহীত

বিদেশ

আমেরিকার মূলধারার নির্বাচনে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ বাড়ছে

  • মো: সানাউল হক (নিউইয়ার্ক থেকে)
  • প্রকাশিত ৩০ অক্টোবর ২০১৯

বিগত বছর গুলোতে আমেরিকায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দু-একজন প্রার্থী হতো। এবার নিউইয়র্ক থেকে সিটি কাউন্সিল, অঙ্গরাজ্যের আইনসভা ও কংগ্রেসসহ বিভিন্ন নির্বাচনে অনেকেই নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এর মধ্যে বদরুন নাহার (মিতা), তৈয়বুর রহমান, জয় চৌধুরী, হেলাল এ শেখ, ফখরুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলম উল্লেখ্য যোগ্য। আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গ রাজ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্টেট সিনেটর, কাউন্সিলর, পাবলিক অ্যাডভোকেটসহ একাধিক পদে প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে এখন মূলধারায় কাজ করছেন।

নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীগণ তহবিল সংগ্রহে নেমে পড়েছেন। পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি বাংলাদেশিদের নির্বাচনে আগ্রহ দেখে বাংলাদেশ কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা সকলকে সাধুবাদ জানিয়ে একত্রে কাজ করার আশা ব্যক্ত করেছেন।

প্রবাসের সামাজিক সংগঠন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন বদরুন নাহার (মিতা)। নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি জ্যাকসন হাইটসসের একটি পার্টি হলে তহবিল সংগ্র্রহ অনুষ্ঠান করেছেন। তিনি নিউইয়র্কের কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট ১৪ থেকে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাইমারি নির্বাচনে প্রার্থিতার ঘোষণা দিয়েছেন।

তৈয়বুর রহমান গত নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে ডিস্ট্রিক্ট ২৪ কুইন্স এলাকা থেকে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাইমারিতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ৩৮ শতাংশ ভোট পেলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কাছে হেরে যান। এবারও তিনি একই এলাকা থেকে নির্বাচন করবেন। তার একই এলাকা থেকে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন জ্যামাইকা ফ্রেন্ডস সোসাইটির সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম।

তৈয়বুর রহমান নির্বাচন প্র্রসঙ্গে বলেন, একজন কাউন্সিলর এলাকার উন্নয়নে অনেক কাজ করতে পারেন। এ ছাড়া কমিউনিটির উন্নয়নে সাড়ে সাত লাখ ডলার বরাদ্দ থাকে। কিন্তু আমাদের বাঙালি কমিউনিটি কোনো রকম বরাদ্দ পায় না। নির্বাচনে জয়ী হলে কমিউনিটির উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিবেন বলে তিনি জানান।

জাহাঙ্গীর আলম নিউইয়র্কের বাফেলো ফিলমোর ডিস্ট্রিক্ট থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্র্রাইমারিতে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। আগামী ৫ নভেম্বর নির্বাচনে বাংলাদেশি কমিউনিটিসহ অন্য ভোটারদের সবাইকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। জয়ের ব্যাপারে তিনি অনেকটাই আশাবাদী বলে জানান।

হেলাল এ শেখ বেশ কয়েকবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে সিটি পাবলিক অ্যাডভোকেট পদে নির্বাচন করেন। ১৭ জন প্রার্থীর মধ্যে তার অবস্থান ছিল ১২তম। হেলাল শেখ নির্বাচনে হেরে গেলেও পরবর্তী নির্বাচনে জয়ী হওয়ার আশা করেন।

জয় চৌধুরী অ্যাসেম্বলিম্যান পদে নির্বাচন করছেন নির্বাচনী ডিস্ট্রিক্ট ৩৪ থেকে। এর মধ্যেই তিনি প্রচারের কাজ শুরু করেছেন। তহবিল সংগ্রহ থেকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন বলে তিনি জানান। আবার নারী প্রার্থী মেরী জোবাইদা ইতিমধ্যে নির্বাচনে প্রার্থিতার ঘোষণা করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। বাংলাদেশ কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সকলের পাশে থাকার জন্য বাংলাদেশীদের আহবান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads