• শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২০, ২৮ চৈত্র ১৪২৬
ads
শিগগিরই বাজারে আসছে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন

প্রতীকী ছবি

বিদেশ

শিগগিরই বাজারে আসছে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

করোনা ভাইরাস আতঙ্কে ভুগছে পুরো বিশ্ব। চীনে প্রথম করোনা ভাইরাস মহামারী রূপ নেওয়ার পর বিভিন্ন দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২৭০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার বেশিরভাগেরই চীনের। ৮০ হাজারে বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ অবস্থায় প্রথমবারের মতো করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক বাজারে আনতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যামব্রিজভিত্তিক বায়োটেক কোম্পানি মডার্না থেরাপেটিকস। গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এসব তথ্য জানায়।

জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে চীনা গবেষকরা নতুন করোনা ভাইরাসের জেনেটিক সিকোয়েন্স প্রকাশ করেন। তার ৪২ দিন পর কোভিড-১৯-এর ভ্যাক্সিন তৈরি করা হয়। এটি তৈরি করে পরীক্ষা করার জন্য এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (এনআইএআইডি) মানুষের ওপর প্রয়োগ করে। সেখানে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের (এনআইএইচ) বিজ্ঞানীরা এটি পরীক্ষা করছেন।

জাপানে কোয়ারেন্টাইনে রাখা যাত্রীবাহী জাহাজ ডায়মন্ড প্রিন্সেসের কোভিড-১৯ আক্রান্ত এক যাত্রী স্বেচ্ছায় নিজের ওপর এ ভ্যাক্সিন পরীক্ষা করাতে আগ্রহী হন। এ রোগে আক্রান্ত আরো অনেকেই এ পরীক্ষায় অংশ নেন। এছাড়া নতুন করোনা ভাইরাসের ওপর ইবোলার জন্য তৈরি করা রেমডেসিভির নামে একটি অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগও পরীক্ষা করা হচ্ছে। ১০ দিন এ ড্রাগ ও একটি প্লাসেবো (নকল) ড্রাগ রোগীদের ওপর পরীক্ষা করা হবে। যদি ভাইরাসের ওপর এ ড্রাগের কোনো কার্যক্ষমতা দেখা যায়, তাহলে সংক্রমণ মোকাবেলায় কিছুটা হলেও সাহায্য হবে।

কোভিড-১৯ প্রতিকারে মডার্নার ভ্যাক্সিন খুব অল্প সময়ে তৈরি করা হয়েছে। কারণ নতুন এক জেনেটিক মেথডে এটি তৈরি হয়েছে যেখানে অনেক ভাইরাস নয়, প্রয়োজন হয় এম-আরএনএ। এটি প্রোটিন তৈরি করে, যা শরীরে ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads