• মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
করোনাভাইরাসের ওষুধ উদ্ভাবনের দাবি রাশিয়ার

প্রতীকী ছবি

বিদেশ

করোনাভাইরাসের ওষুধ উদ্ভাবনের দাবি রাশিয়ার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ২৯ মার্চ ২০২০

করোনাভাইরাস চিকিত্সায় ও সংক্রমণ ঠেকাতে উন্নত দেশগুলো যখন হিমশিম খাচ্ছে তখন রাশিয়া দাবি করছে তারা এর কার্যকর ওষুধ উদ্ভাবন করেছে। গত শনিবার রাশিয়ার ওষুধ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফেডারেল বায়োমেডিক্যাল এজেন্সি জানিয়েছে, তারা কভিড-১৯ চিকিত্সার জন্য একটি ওষুধ উদ্ভাবন করেছে। মেলফ্লোকুইন এর ওপর ভিত্তিকরে নতুন এ ওষুধ তৈরি করা হয়েছে। মেলফ্লোকুইন ম্যালেরিয়া চিকিত্সায় ব্যবহার হয়।

গবেষকদের দাবি, কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীরা যতো মারাত্মক অসুস্থই থাকুক না কেন এ ওষুধ তাদের সারিয়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একইসঙ্গে এটি রোগীদের জন্য নিরাপদও হবে। সংস্থা জানায়, চীন ও ফ্রান্সের চিকিত্সকরা যে পদ্ধতিতে রোগীদের চিকিত্সা দিয়েছেন তার ওপর গবেষণা করেই নতুন এ ওষুধ উদ্ভাবন করা হয়েছে।

সংস্থার প্রধান ভেরোনিকা স্কভোর্টসোভা বলেন, মেলফ্লোকুইনের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক যোগ করে এটিকে আরো শক্তিশালী করা হয়েছে, যাতে করোনাভাইরাসের চিকিত্সায় রক্ত ও ফুসফুসে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এতে খুব ভালো চিকিত্সা পাওয়া যাবে বলে আমরা আশা করছি।

বতর্মানে সিম্পটম এর ওপর ভিত্তি করে কভিড-১৯ রোগীদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগ করছেন ডাক্তাররা। এদিকে, বৈশ্বিক ওষুধ কম্পানি নোভার্টিসের সিইও ভাস নরসিমন দাবি করেছেন, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে বড় আশা হতে পারে ম্যালেরিয়া ওষুধ। তিনি বলেন, স্যান্ডোজ জেনেরিকস ইউনিটের ম্যালেরিয়া, লুপাস এবং আর্থরিটিস ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন করোনার বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক বা টীকা আবিষ্কারে প্রতিযোগিতায় নেমেছে বড় বড় ওষুধ কম্পানিগুলো। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নানা পরীক্ষা শেষে এসব টীকা কার্যকর প্রমাণ করতে আরো এক বছর বা বেশি সময় লাগতে পারে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads