• শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্প কাজের উদ্বোধন ১০ সেপ্টেম্বর

আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্প

সংরক্ষিত ছবি

যোগাযোগ

আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্প কাজের উদ্বোধন ১০ সেপ্টেম্বর

ভিডিও কনফারেন্স করবেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী

  • আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগামী ১০ সেপ্টেম্বর হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কাজের উদ্বোধন করবেন। গতকাল মঙ্গলবার ভিডিও কনফারেন্সের সাইট পরিদর্শন করতে আখাউড়ায় এসে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সচিব জানান, উদ্বোধন উপলক্ষে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে এক সুধী সমাবেশ আয়োজনেরও কথা রয়েছে। ওই সমাবেশে বাংলাদেশ সরকারের একাধিক মন্ত্রী উপস্থিত থাকতে পারেন।

আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্পটি নির্মাণ হলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রথম দিকে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ধারণা পাওয়া গেছে। ২০১৬ সালের ৩১ জুলাই একই প্রকল্পের ভারতের আগরতলা অংশে কাজের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক ও ভারতের রেলপথমন্ত্রী সুরেশ প্রভাকর প্রভু। ইতোমধ্যে ভারতের অংশে রেলপথ নির্মাণের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। বাংলাদেশের অংশে ৫৬.৩৬ একর জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আখাউড়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জেসমিন সুলতানা। জুন মাসে অধিগ্রহণ ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় বলে তিনি জানান।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আখাউড়া থেকে আগরতলার রেললাইনের দৈর্ঘ্য হবে ১৫ কিলোমিটার। এর মধ্যে বাংলাদেশের অংশে ১০ কিলোমিটার ও ভারতের অংশে পাঁচ কিলোমিটার। আখাউড়া থেকে গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশন হয়ে মনিয়ন্দ ইউনিয়নের শিবনগর পর্যন্ত হবে বাংলাদেশের রেললাইন। ওপারে নিশ্চিন্তপুর হয়ে রেললাইন যাবে আগরতলায়। রেললাইন নির্মাণে অধিকাংশ টাকাই ব্যয় করবে ভারত।

বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, এ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৮০ কোটি রুপি। এর মধ্যে ভারতের পাঁচ কিলোমিটার অংশের জন্য ৫৮০ কোটি রুপি ও বাংলাদেশ অংশের ১০ কিলোমিটারের জন্য ৪০০ কোটি রুপি (৪৭৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা)। রেললাইন নির্মাণে ভারত থেকে অনুদান হিসেবে পাওয়া গেছে ৪২০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। বাকি ৫৭ কোটি টাকা বাংলাদেশের সরকারি কোষাগার থেকে ভূমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় হচ্ছে।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শামছুজ্জামান বলেন, আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের কাজ আগামী ১০ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ সচিব। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন উপলক্ষে আখাউড়ায় একটি অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads