• বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৫
ads
'ঈদে যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা'

ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া

সংগৃহীত ছবি

যোগাযোগ

'ঈদে যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা'

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ২৫ মে ২০১৯

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ঈদে যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, বিআরটিএ’র নির্ধারিত চার্টের বাইরে কেউ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে পারবে না।

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালী আন্ত:জেলা বাস টার্মিনালে আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় একথা বলেন।

মহাখালী বাস টার্মিনাল সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও ঢাকা জেলা বাস মিনিবাস সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির আয়োজনে এবং ট্রাফিক উত্তর বিভাগের সহযোগিতায় এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। আমাদের গোয়েন্দারা কাজ করছে, সেই সাথে অন্য বাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থাও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কাজ করছে। চার্টের নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেই যেই হোক, যত ক্ষমতাশালীই হোক অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, গাড়ির চালক ও হেলপারসহ যানবাহন ব্যবসার সাথে জড়িত কেউ মাদকাসক্ত বলে সন্দেহ হলে তাকে ডোপ টেস্ট করান। তাকে গাড়ির কাজে নিয়োগ করবেন না। প্রয়োজনে পুলিশ আপনাদের সহযোগিতা করবে। মাদকাসক্ত কোন লোক গাড়ির চালক, হেলপার ও কনডাক্টর হতে পারবে না।

ঈদকে সামনে রেখে ডিএমপি’র পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জানিয়ে পুলিশ কমিশনার বলেন, কোন রকম নিরাপত্তা ঝুঁকি ছাড়াই নগরবাসী পরিবার-পরিজনসহ শপিং, ঈদ উৎসব ও নির্বিঘ্নে চলাচল করবে তাদের নিরাপত্তাহীনতা ঘটবে না। এই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য আমরা পরিবহন মালিক ও শ্রমিক ভাইদের সাথে মতবিনিময় করছি।

তিনি বলেন, সড়ক পরিবহনের শৃংখলা নিয়ে মালিক-শ্রমিক ও প্রশাসনকে ভাবতে হবে। পরিবহন ব্যবস্থা যদি দীর্ঘদিন অনিয়মের মধ্যে থাকে তাহলে এই পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়বে। যানবাহন ও সড়ক সেক্টরে একটি শৃংখলা প্রতিষ্ঠা করা একান্ত জরুরী।

অজ্ঞান পার্টি প্রতিরোধে কমিশনার বলেন, ডিএমপি’র পক্ষ থেকে ঢাকা শহরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। রোজার আগে থেকে এসব অপরাধের বিরুদ্ধে কাজ করছি, তথ্য সংগ্রহ করছি এবং নিবর্তনমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শতাধিক অজ্ঞান পার্টি, চোর ও ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। রাতদিন ২৪ ঘন্টা পোশাকে ও সাদা পোশোকে নগরীতে পুলিশ নজরদারী করছে। বিশেষ করে বাস টার্মিনাল, লঞ্চ ঘাট ও রেল স্টেশনে পুলিশের নজরদারী বাড়ানো হয়েছে।

গাড়ি চালাতে হলে অবশ্যই বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির ফিটনেস থাকার নির্দেশনা দিয়ে কমিশনার বলেন, মালিক-শ্রমিক ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি নিশ্চিত করবেন, কেউ যাতে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি নিয়ে টার্মিনাল ছেড়ে যেতে না পারে।

তিনি আরো বলেন, ঢাকা শহরের প্রতিটি বাহির পথে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশ মোতায়েন করা হবে। এসময় ডিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস) কৃষ্ণ পদ রায়, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. উসমান আলী, মহাখালী বাস টার্মিনাল মালিক সমিতির সভাপতি হাজী আবুল কালামসহ ডিএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads