• রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ আশ্বিন ১৪২৭
ads
দৌলতদিয়া-কাজীর হাট ও ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ নৌরুটে বাড়তি ভাড়া আদায়

দৌলতদিয়া হতে পাবনার কাজিরহাট নৌ-রুটে চলছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়। ছবিটি দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট চ্যানেল থেকে তোলা

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

যোগাযোগ

দৌলতদিয়া-কাজীর হাট ও ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ নৌরুটে বাড়তি ভাড়া আদায়

  • গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১০ জুন ২০১৯

গোয়ালন্দ দৌলতদিয়া হতে পাবনার কাজীর হাট ও রাজবাড়ীর ধাওয়াপাড়া হতে পাবনার নাজিরগঞ্জ নৌরুটে ঈদের কয়েকদিন আগে থেকে শুরু করে এখনো বাড়তি ভাড়া আদায় চলছে। এ নিয়ে কোনো যাত্রী কথা বললে তাদের সঙ্গে অসদাচরণেরও করার অভিযোগ উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজবাড়ী জেলার সঙ্গে পাবনা জেলার যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নৌপথ। এর মধ্যে রাজবাড়ীর ধাওয়াপাড়া হতে পাবনার নাজিরগঞ্জে প্রতিদিন সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্তাবধানে দুটি ছোট ফেরি এবং ব্যক্তি পর্যায়ে দুটি লঞ্চ ও অনেকগুলো ট্রলার চলে। ধাওয়াপাড়া ঘাটটিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ শরীফ নামের এক ব্যক্তিকে ইজারা প্রদান করেছে। যেকোনো মাধ্যমেই এখানে স্বাভাবিক সময়ে যাত্রী প্রতি ইজারদার ভাড়া আদায় করেন ৪০ টাকা। কিন্তু ঈদের আগে থেকে ইজারাদার ৪০ টাকা টিকেটের উপর ঈদ মোবারক সিল মেরে ৫০ টাকা করে আদায় করছেন। এ নিয়ে কথা বললে ইজারাদারের লোকজন যাত্রীদের অসদাচরণ করছেন বলে অনেকেই অভিযোগ করছেন।

পাবনা এ্যাডওয়ার্ড কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মতিয়ার রহমান জানান, তিনি ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ী গোয়ালন্দে এসেছিলেন। আসা-যাওয়ার পথে ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ রুট ব্যবহার করেছেন। এখানে ৪০ টাকার টিকিট দিয়ে ৫০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। অনেক যাত্রী এ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে টিকিট বিক্রেতাদের কাছে অপদস্ত হতে দেখেছি। এ বিষয়গুলোর দিকে প্রশাসনের নজর দেওয়া দরকার।

এ বিষয়ে চেষ্টা করেও ইজারাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ দিকে পাবনার সাথে যোগাযোগের আরেকটি মাধ্যম রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট থেকে পাবনার কাজীরহাট ঘাট। এ রুটে সরাসরি লঞ্চ না চলার সুযোগ নিচ্ছে স্থানীয় স্পীড বোট মালিকরা। স্বাভাবিক সময়ে দৌলতদিয়া থেকে কাজীর হাট যেতে তারা যাত্রী প্রতি আদায় করে ২৫০ টাকা করে। ঈদ উপলক্ষে নতুন টিকিট ছাপিয়ে আদায় করছে ৩০০ টাকা করে।

এ বিষয়ে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় স্পীডবোটের টিকিট বিক্রেতা হালিম বেপারী ও আলম মেম্বার জানান, ঈদ উপলক্ষে ৫০ টাকা বাড়তি ভাড়া নিলেও তা সবার থেকে আদায় করা হয় না। গরীব ও সাধারণ মানুষকে ছাড় দিয়ে কখনো কখনো ভাড়া কমও নেওয়া হয়।

রাজবাড়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কেবিএম সাদ্দাম জানান, ধাওয়াপাড়া ঘাটের শুধু পন্টুন ও দুটি ফেরি তাদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। লঞ্চ ও ট্রলারগুলো চলে ব্যক্তি মালিকানায়। ফেরি দুটিতে দিনে ৩ বার নির্ধারিত মূল্যের টিকিটে শুধু যানবাহন পার হয়। যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়টি জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads