• বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬
ads
ঈদে নৌ নিরাপত্তায় ১০ সুপারিশ

ফাইল ছবি

যোগাযোগ

ঈদে নৌ নিরাপত্তায় ১০ সুপারিশ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২১ জুলাই ২০১৯

শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরাম (এসসিআরএফ) ঈদুল আজহায় নৌপথে নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সারা দেশে অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা ও ১০ দফা সুপারিশ করেছে। গতকাল শনিবার গণমাধ্যমে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সুপারিশ উত্থাপন করে সংগঠনটি। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এবার ভরা দুর্যোগ মৌসুমে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। এ বিষয়টিকে বিবেচনা করে এই সুপারিশগুলো তৈরি করা হয়েছে। এসসিআরএফের সুপারিশগুলো হলো

১. সব নদীবন্দর ও নৌপথে অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম শুরু।

২. নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও বিআইডব্লিউটিএতে জরুরিভিত্তিতে তিনজন করে অস্থায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পদায়ন দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা বৃদ্ধি।

৩. পদ্মার শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল সুশৃঙ্খল রাখতে পর্যাপ্ত সংখ্যক র্যাব, পুলিশ ও আনসার মোতায়েন।

৪. শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ।

৫. উপকূলীয়, হাওর ও পাহাড়ি জনপদে অবৈধ ও ক্রটিপূর্ণ নৌযান চলাচল বন্ধে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে সম্পৃক্তকরণ।

৬. গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলো কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের তৎপরতা জোরদারকরণ।

৭. টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ ঘাটগুলোতে বড়পর্দায় ও লাউড স্পিকারে এবং বেতার-টেলিভিশনে প্রতি ঘণ্টায় আবহাওয়া বার্তা প্রচার।

৮. লঞ্চ ও স্টিমারসহ সব ধরনের যাত্রীবাহী নৌযানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন।

৯. সব টার্মিনালে শৌচাগার ও ওজুখানায় পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থাসহ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ।

১০. যাত্রীবোঝাই লঞ্চ ছাড়ার আগমুহূর্তে ভিডিওচিত্র ধারণ করে তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ। বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসসিআরএফ সভাপতি আশীষ কুমার দে বলেন, দূরপাল্লার সড়কে তীব্র যানজটসহ সারা বছর যে হারে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে তাতে উপকূলীয় জনপদের মানুষ নৌপথকেই প্রাধান্য দেবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads