• বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬
ads
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় ফেরি ঘাটে পাড়ের অপেক্ষায় শতশত যানবাহন

ছবি : বাংলাদেশের খবর

যোগাযোগ

তিন দিনেও চালু হয়নি লঞ্চ চলাচল

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক

  • গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৬ অক্টোবর ২০১৯

তীব্র স্রোতে টানা এক সপ্তাহ ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ার পর রোববার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। রুটে সকল ফেরি চলতে না পারলেও ১০/১১টি ফেরি যানবাহন ও যাত্রী পারাপার করছে। তারপরও ঘাট এলাকায় আটকে আছে ৫ শতাধিক যানবাহন। তবে তিন দিনেও চালু হয়নি রুটে লঞ্চ চলাচল।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, গত এক সপ্তাহ নদীতে তীব্র স্রোত থাকার কারণে ফেরি চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হয়। এ পরিস্থিতিতে শনিবার বেলা ২টার দিকে মাত্র ৩টা ফেরি দিয়ে শুধু যাত্রী পারাপার করা হয়। রুটে চলাচলকারী অন্য ফেরিগুলো স্রোতের বিপরীতে চলতে না পারায় বন্ধ রাখা হয়। রোববার পদ্মা নদীর পানি কিছুটা হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে ¯্রােতের তীব্রতাও কিছুটা কমে আসে। এতে করে রুটে চলাচলকারী ১৬টি ফেরির মধ্যে কখনো ১০টি আবার কখনো ১১টি ফেরি যানবাহন পারাপার করে। তবে স্রোতের তীব্রতা এখনো তীব্র থাকার কারণে দুর্বল ইঞ্জিনের কয়েকটি ফেরি চলতে পারছে না। তীব্র স্রোতের কারনে ফেরি পারাপাওে দ্বীগুণেরও বেশী সময় লাগায় ফেরির ট্রিপ সংখ্যা কমে গেছে। তবে শুক্রবার দুপুর ১টায় বন্ধ হওয়া লঞ্চ চলাচল রোববার সন্ধ্যা নাগাদও চালু হয়নি। এতে করে ফেরিগুলোতে সাধারণ যাত্রীদের প্রচন্ড ভীড় অব্যাহত আছে।

সরেজমিন দেখা যায়, রোববারও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে নদী পারাপার হতে আসা যানবাহন দৌলতদিয়া ঘাটে এসে সিরিয়ালে আটকা পড়ছে। বিকেল ৫টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ক্যানেল ঘাট পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার যাত্রীবাহি বাসের সাড়ি রয়েছে। আটকে আছে ২ শতাধিক যাত্রীবাহী বাস ও অন্যান্য যানবাহন।

এদিকে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ৯ কিলোমিটার দুরে গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় পন্যবাহি ৩ শতাধিক ট্রাক সিরিয়ালে আটক রাখা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সিরিয়াল থেকে ওই সকল ট্রাক দৌলতদিয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে ছাড়া হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যাবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, দৌলতদিয়া ঘাট পরিস্থিতি বর্তমানে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। স্রোতের তীব্রতা আরো কমে এলে রুটের সকল ফেরি স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে পারবে। এতে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাবে যানবাহন পারাপার।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads